সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ভ্রমণের আগে লাগেজে নিষিদ্ধ খাবার, ওষুধ ও নিয়ন্ত্রিত কোনো পণ্য রয়েছে কি না, তা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করতে ভারতীয় নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।
আবুধাবিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এবং দুবাই ও উত্তর আমিরাতের কনস্যুলেট জেনারেলের পক্ষ থেকে জারি করা এক জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতে বৈধ বা সহজলভ্য এমন অনেক পণ্যই ইউএইর কঠোর আইনে নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। এই নির্দেশনা দেশটিতে বসবাসকারী, ভ্রমণকারী ও ট্রানজিট নেওয়া সব ভারতীয় নাগরিকের জন্যই প্রযোজ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়, অজান্তে কিংবা সামান্য পরিমাণেও নিষিদ্ধ দ্রব্যাদি বহন করলে তা জব্দ করার পাশাপাশি বড় অঙ্কের জরিমানা, আটক, দেশ থেকে বহিষ্কার এবং ক্ষেত্রবিশেষে কঠোর ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হতে হতে পারে।
দূতাবাসের নির্দেশনা অনুযায়ী, পোস্তদানা (খাসখাস), খাত পাতা (একধরনের মাদক), পানপাতা, সুপারি, নস্যি ও গুটখাসহ চিবিয়ে খাওয়ার তামাকজাত পণ্য ইউএইতে বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব পণ্য হাতব্যাগ কিংবা চেক-ইন লাগেজ—কোনোটিতেই না রাখার জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সব ধরনের মাদক, সাইকোট্রপিক পদার্থ, জাল মুদ্রা, জুয়ার সরঞ্জাম ও জাদুবিদ্যার উপকরণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ তালিকায় রয়েছে।
এদিকে ঘুমের ওষুধ, ব্যথানাশক কিংবা মানসিক রোগের বিশেষ ওষুধের ক্ষেত্রেও ইউএইর কঠোর বিধিনিষেধের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের ওষুধ বহনের ক্ষেত্রে যাত্রীদের ‘এমিরেটস ড্রাগ এস্টাবলিশমেন্টের’ (ইডিই) তালিকা যাচাই করে আগে থেকেই ব্যক্তিগত ব্যবহারের অনুমতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অনুমতির জন্য সংশ্লিষ্ট পোর্টালে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রেসক্রিপশন ও মেডিকেল রিপোর্ট দাখিল করে আবেদন করতে হবে। প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত মাত্রার বেশি ওষুধ বহন গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে বলে সতর্ক করেছে দূতাবাস।

























