কক্সবাজারের টেকনাফের রাজারছড়া ও কচ্ছপিয়ার গহিন পাহাড়ি এলাকায় মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ এক মানবপাচারকারী ও ডাকাত চক্রের সদস্যকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এই অভিযানে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় জিম্মি থাকা ছয়জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আটক ব্যক্তি হলেন টেকনাফ রাজারছড়ার মো. হোছনের ছেলে মো. রুবেল (২০)।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন টেকনাফের রাসেল (১৭), রামুর শাহরিয়াজ ইমন (১৯), উখিয়ার মো. ফয়সাল (১৭), মো. এহসান (১৬), বালুখালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নজিম উল্লাহ (১২) এবং শহিদুল আমিন (১৫)। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুজন রোহিঙ্গা এবং চারজন বাংলাদেশি নাগরিক।
সকালে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিজিবি টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে রাজারছড়া ও কচ্ছপিয়ার গহিন পাহাড়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় অস্ত্রধারী মানবপাচার ও ডাকাত দল চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে চারটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। তবে চক্রের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
উদ্ধার হওয়া ভিকটিমরা জানিয়েছেন, মানবপাচারকারী ও ডাকাত দলের সদস্যরা দালাল চক্রকে ব্যবহার করে রাজমিস্ত্রির কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের গহিন পাহাড়ে নিয়ে জিম্মি করে রাখে। এরপর তারা জনপ্রতি ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা দিতে না পারলে জোরপূর্বক সাগরপথে ট্রলারে করে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা বলে তাদের আস্তানায় আটকে রাখা হয়েছিল। বিজিবির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাঁদের জিম্মিদশা থেকে মুক্ত করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 





















