সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন পে-স্কেল সংক্রান্ত ১৫ পৃষ্ঠার একটি ‘সুপারিশপত্র’ ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে চাকরিজীবীদের গ্রেড ২০টি রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। তবে পে কমিশন এই সুপারিশটিকে ভুয়া বলে উল্লেখ করেছে। ফেসবুকে ব্যাপকভাবে শেয়ার হওয়া ওই নথিতে বিভিন্ন গ্রেডের বেতন বৃদ্ধি, ইনক্রিমেন্ট কাঠামো এবং ভাতা সংশোধনের বিষয়ে তথ্য রয়েছে, কিন্তু কমিশন জানিয়েছে, এটি তাদের অনুমোদিত কোনো নথি নয়।
কমিশন জানায়, বেতনস্কেলের খসড়া সুপারিশ এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং কোনো সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি। ফেসবুকে প্রচারিত নথিতে কমিশনের নাম ও লোগো ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা মিথ্যা এবং সরকারি চাকরিজীবীদের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত হয়েছে।
কমিশনের সদস্য ড. মোহাম্মদ আলী খান বলেন, ‘এটি আমাদের তৈরি নয়। এমন কোনো নথি আমাদের কাছে নেই। এটি ভুয়া এবং বিভ্রান্তিকর।’ তিনি আরও বলেন, ‘বেতন কাঠামোর সুপারিশের কাজ চলছে এবং আগামী সোমবার সচিবদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে, তাই ছড়ানো সুপারিশটি ভুল।’
এদিকে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকারের অধীনে পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা, কিন্তু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চান বর্তমান সরকারই এটি বাস্তবায়ন করুক। তারা ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
গত জুলাইয়ে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে সভাপতি করে ২৩ সদস্যের জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠন করা হয়। কমিশন সরকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য ছয় মাসের সময় পেয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























