ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের জন্য বার্ষিক আয়-ব্যয়ের তথ্য জানিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় মাত্র ১০ দিন বাকি। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সকল করদাতাকে রিটার্ন প্রদান করতে হবে। এবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অনলাইনে রিটার্ন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে, তাই আর কর কার্যালয়ে গিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ নেই।
বর্তমানে দেশের প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টিআইএনধারী আছেন। যারা করযোগ্য আয় পাচ্ছেন, তাদের টিআইএন নম্বর দিয়ে অনলাইনে রিটার্ন দিতে হবে।
অনলাইনে রিটার্ন কিভাবে দেবেন:
রিটার্ন জমা দিতে হলে এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রথমে নিবন্ধন নিতে হবে। নিবন্ধনের পরে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে লগইন করে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
কাগজপত্র আপলোড করতে হবে না:
অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে কোনো কাগজপত্র আপলোডের প্রয়োজন নেই, শুধুমাত্র তথ্য প্রদান করতে হবে। তবে দেওয়ার তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে, কারণ ভবিষ্যতে নিরীক্ষা বা অন্য প্রয়োজনে প্রয়োজন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, চাকরিজীবীদের জন্য ব্যাংক হিসাবের এক বছরের লেনদেন বিবরণী প্রয়োজন হবে, যেখানে আগের বছরের ১ জুলাই থেকে পরের বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের তথ্য থাকবে।
কিভাবে কর দিতে হবে:
অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ঘরে বসেই কর পরিশোধ করা যাবে। পেমেন্টের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্যান্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাপ।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
রিটার্ন জমার আগে বিভিন্ন কাগজপত্রের তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে। যেমন—বেতন খাতের আয়ের দলিল, সিকিউরিটিজের সুদের সনদ, ভাড়ার চুক্তিপত্র, পৌরকরের রসিদ, বন্ধকি ঋণের সুদের সনদ, মূলধনি সম্পদের ক্রয়-বিক্রয় চুক্তিপত্র ও রসিদ, শেয়ারের লভ্যাংশ ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট, উৎসে কর কাটা সার্টিফিকেট।
যদি বিনিয়োগ করে কর রেয়াত নিতে চান, তবে আরও কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হবে। যেমন—জীবনবিমার প্রিমিয়াম রসিদ, ভবিষ্য তহবিলে চাঁদার সনদ, ঋণ বা ডিবেঞ্চার, সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস চাঁদার সনদ, কল্যাণ তহবিলের চাঁদা, গোষ্ঠী বিমার কিস্তির সনদ, জাকাত তহবিলে প্রদত্ত চাঁদার সনদ ইত্যাদি।
রিপোর্টারের নাম 

























