ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

বাঁশখালীতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জামায়াত সমর্থিত জহিরুল ইসলাম বিজয়ী, হাতছাড়া হলো বিএনপির দুর্গ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) সংসদীয় আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাকে ৭ হাজার ৭২৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করা মাওলানা জহিরুল ইসলাম মোট ৮৯ হাজার ৯৬০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩৭ ভোট। এই আসনে বিএনপির বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী লিয়াকত আলী ফুটবল প্রতীকে ৫৫ হাজার ৭১ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে বিএনপির একটি শক্তিশালী ভোটব্যাঙ্ক থাকলেও বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে তাদের পরাজয় ঘটেছে। এই আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, যেখানে সাবেক মন্ত্রী মরহুম আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরী একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিএনপি তাঁর পুত্র মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাকে মনোনয়ন দিলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী লিয়াকত আলীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভোটের বিভাজন ঘটিয়েছে, যা জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর বিজয়ে সহায়ক হয়েছে।

বাঁশখালী উপজেলার ১টি পৌরসভা এবং ১৪টি ইউনিয়নের মোট ১১২টি কেন্দ্রে ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সুচারুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট মহল প্রশংসা করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট ও ক্রু উদ্ধারে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব

বাঁশখালীতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জামায়াত সমর্থিত জহিরুল ইসলাম বিজয়ী, হাতছাড়া হলো বিএনপির দুর্গ

আপডেট সময় : ০২:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) সংসদীয় আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাকে ৭ হাজার ৭২৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করা মাওলানা জহিরুল ইসলাম মোট ৮৯ হাজার ৯৬০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩৭ ভোট। এই আসনে বিএনপির বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী লিয়াকত আলী ফুটবল প্রতীকে ৫৫ হাজার ৭১ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে বিএনপির একটি শক্তিশালী ভোটব্যাঙ্ক থাকলেও বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে তাদের পরাজয় ঘটেছে। এই আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, যেখানে সাবেক মন্ত্রী মরহুম আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরী একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিএনপি তাঁর পুত্র মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাকে মনোনয়ন দিলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী লিয়াকত আলীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভোটের বিভাজন ঘটিয়েছে, যা জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর বিজয়ে সহায়ক হয়েছে।

বাঁশখালী উপজেলার ১টি পৌরসভা এবং ১৪টি ইউনিয়নের মোট ১১২টি কেন্দ্রে ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সুচারুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট মহল প্রশংসা করেছে।