একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনেই বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থীরা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, জেলার প্রতিটি আসনেই ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৬৬১ ভোট।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে সুলতান মাহমুদ বাবু ৯৫ হাজার ৬৭৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ছামিউল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ৬৫৫ ভোট।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬ হাজার ২১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মুজিবুর রহমান আজাদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৬০৭ ভোট।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এখানে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল ৪৪ হাজার ১৬১ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।
এছাড়া, জামালপুর-৫ (সদর) আসনে বিএনপির অ্যাডভোকেট ওয়ারেছ আলী মামুন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ২০১ ভোট।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন। জেলার পাঁচটি আসনেই বিএনপির এই একচেটিয়া জয়কে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
রিপোর্টারের নাম 





















