বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি হলেও, মাসের শেষার্ধে এসে শীতের তীব্রতা অনেকটাই কমে এসেছে। প্রথম দুই সপ্তাহে টানা শৈত্যপ্রবাহের পর গত কয়েকদিন ধরে দেশের বেশিরভাগ অঞ্চল শৈত্যপ্রবাহমুক্ত। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কুয়াশা কমে যাওয়া, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসের প্রবাহ দুর্বল থাকা এবং বাতাসে আর্দ্রতার প্রভাব বৃদ্ধিই তাপমাত্রা বাড়ার প্রধান কারণ।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে কুয়াশার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সূর্যের আলো সরাসরি ভূমিতে পড়ছে। এর ফলে দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং শীতের অনুভূতি হ্রাস পাচ্ছে। একইসঙ্গে, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাসের প্রবাহ অত্যন্ত দুর্বল থাকায় নতুন করে কোনো শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
তিনি আরও বলেন, চলতি মাসের প্রথমার্ধে সারা দেশেই তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হয়েছিল। তবে গত এক সপ্তাহে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের প্রকোপ কমে এলেও উত্তরাঞ্চলের ভোরবেলার শীতের অনুভূতি এখনো বেশ তীব্র। বর্তমানে দেশের দুটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে।
চলতি মাসে বিস্তৃত পরিসরে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা খুবই কম জানিয়ে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, মাসের বাকি দিনগুলোতে দেশের দু-এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ দেখা যেতে পারে। মাঘ মাসের প্রথম সপ্তাহ শেষ হলেও, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর দিকে দেশের কিছু অংশে আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রাম জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
















