ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

নির্বাচন ঘিরে সরকারি কর্মীরা পাচ্ছেন টানা চার দিনের ছুটি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি পাচ্ছেন। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, যা নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) এবং সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই দীর্ঘ ছুটি নিশ্চিত করবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা পূর্বঘোষিত। আজ কেবিনেট বৈঠকে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি এবং ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকরা মোট তিন দিনের ছুটি পাবেন। নির্বাচনের পরবর্তী দুই দিন, অর্থাৎ ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।

প্রেস সচিব আরও জানান, আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে মোট ১৩টি এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের আইন রোহিতকরণ বিলের খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা, এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন-২০২৬-এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন।

এছাড়াও জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬, তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা-২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের প্রস্তাবও নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে।

জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে প্রেস সচিব বলেন, এই অধ্যাদেশে ১৯ প্রকারের জুয়াকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী ১৫ ধরনের সাজার বিধান রাখা হয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ৫ লাখ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড অন্তর্ভুক্ত। ম্যাচ ফিক্সিংসহ এ ধরনের অপরাধ দমনের উদ্দেশ্যেই এই আইন প্রণীত হয়েছে।

শফিকুল আলম আরও জানান, ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ-২০২৬, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড-২০২৬ এবং বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট-২০২৬-এর খসড়াও নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই সাংবাদিকের ওপর বর্বরোচিত হামলা, আহত ২

নির্বাচন ঘিরে সরকারি কর্মীরা পাচ্ছেন টানা চার দিনের ছুটি

আপডেট সময় : ০৫:০৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি পাচ্ছেন। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, যা নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) এবং সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই দীর্ঘ ছুটি নিশ্চিত করবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা পূর্বঘোষিত। আজ কেবিনেট বৈঠকে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি এবং ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকরা মোট তিন দিনের ছুটি পাবেন। নির্বাচনের পরবর্তী দুই দিন, অর্থাৎ ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।

প্রেস সচিব আরও জানান, আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে মোট ১৩টি এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের আইন রোহিতকরণ বিলের খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা, এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন-২০২৬-এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন।

এছাড়াও জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬, তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা-২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের প্রস্তাবও নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে।

জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে প্রেস সচিব বলেন, এই অধ্যাদেশে ১৯ প্রকারের জুয়াকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী ১৫ ধরনের সাজার বিধান রাখা হয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ৫ লাখ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড অন্তর্ভুক্ত। ম্যাচ ফিক্সিংসহ এ ধরনের অপরাধ দমনের উদ্দেশ্যেই এই আইন প্রণীত হয়েছে।

শফিকুল আলম আরও জানান, ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ-২০২৬, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড-২০২৬ এবং বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট-২০২৬-এর খসড়াও নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।