মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সতর্কবার্তা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহ এবং ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণার গুরুতর অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে, নির্বাচন কমিশন সকল নাগরিক, রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

সম্প্রতি, কিছু ব্যক্তি নির্বাচনী প্রচারণার আড়ালে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করছে এমন অভিযোগ কমিশনের কাছে পৌঁছেছে। এই ধরণের কার্যকলাপ ‘জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন, ২০১০’ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অনুযায়ী, অন্য কারো জাতীয় পরিচয়পত্র বহন বা হস্তান্তর করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

পাশাপাশি, ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি-৪ তে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা তাদের মনোনীত কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাঁদা, অনুদান বা উপহার গ্রহণ করতে বা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না। এই বিধিমালা লঙ্ঘনও একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নির্বাচন কমিশন জোর দিয়ে বলেছে যে, উল্লিখিত সকল কার্যকলাপ বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী এবং এর জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। তাই, নির্বাচন কমিশন সকল নাগরিক, রাজনৈতিক দল এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এই ধরণের বেআইনি কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করছে। কমিশনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে এবং আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এফবিসিসিআইয়ের নতুন প্রশাসক হিসেবে ফজলুল হকের দায়িত্ব গ্রহণ: বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে নতুন দিগন্ত

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সতর্কবার্তা

আপডেট সময় : ০৩:৫২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহ এবং ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণার গুরুতর অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে, নির্বাচন কমিশন সকল নাগরিক, রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

সম্প্রতি, কিছু ব্যক্তি নির্বাচনী প্রচারণার আড়ালে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করছে এমন অভিযোগ কমিশনের কাছে পৌঁছেছে। এই ধরণের কার্যকলাপ ‘জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন, ২০১০’ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অনুযায়ী, অন্য কারো জাতীয় পরিচয়পত্র বহন বা হস্তান্তর করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

পাশাপাশি, ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি-৪ তে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা তাদের মনোনীত কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাঁদা, অনুদান বা উপহার গ্রহণ করতে বা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না। এই বিধিমালা লঙ্ঘনও একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নির্বাচন কমিশন জোর দিয়ে বলেছে যে, উল্লিখিত সকল কার্যকলাপ বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী এবং এর জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। তাই, নির্বাচন কমিশন সকল নাগরিক, রাজনৈতিক দল এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এই ধরণের বেআইনি কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করছে। কমিশনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে এবং আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।