আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিএনপি’র মোট প্রার্থীর ৫৯.৪৫ শতাংশই ঋণগ্রস্ত। একই সঙ্গে, সম্পদের দিক থেকেও দলটি এগিয়ে রয়েছে; টিআইবি’র তথ্যমতে, বিএনপি’র ৭১.৮৬ শতাংশ প্রার্থীই কোটিপতি।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ‘হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে টিআইবি। সেখানে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের দাখিলকৃত হলফনামা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রার্থীদের মোট ঋণের পরিমাণ ২০০৮ সাল থেকে অনুষ্ঠিত চারটি নির্বাচনের তুলনায় এবার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যদিও ঋণগ্রস্ত প্রার্থীর শতকরা হার আগের চেয়ে কিছুটা কম, তবে ঋণের মোট অঙ্ক প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে এই অঙ্ক ছিল ১৭ হাজার ৪৯৬ কোটি টাকার কিছু বেশি, যা পূর্বের হিসাবগুলোর চেয়েও কম।
ঋণ বা দায়ের পরিমাণ বিবেচনায় শীর্ষ দশ প্রার্থীর আটজনই বিএনপি’র। বাকি দুজন প্রার্থী স্বতন্ত্র। এই দশজনের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রায় ৩ হাজার ১৫৫ কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর। এছাড়া, হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে এমন প্রার্থীদের মধ্যে পরবর্তী চারজনই বিএনপি’র।
সম্পদের দিক থেকেও শীর্ষ দলগুলোর মধ্যে বিএনপি’র প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। টিআইবি’র বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিএনপি’র ৭১.৮৬ শতাংশ প্রার্থীই কোটিপতি। এই তথ্য আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের আর্থিক সক্ষমতা এবং দায়-দেনা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
















