ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

সুস্থ-সবল শরীরেও হৃদরোগে নিভে গেল এক প্রতিভাবান চিকিৎসকের জীবন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ভারতের নাগপুরে এক মর্মান্তিক ঘটনায় শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ ও নিয়মিত ব্যায়ামকারী এক প্রথিতযশা নিউরোসার্জনের আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। বিস্ময়করভাবে, তার সকল স্বাস্থ্য পরীক্ষাও ছিল স্বাভাবিক। ৫৩ বছর বয়সী প্রয়াত চিকিৎসক ড. চন্দ্রশেখর পাখমোডে নাগপুরের একটি খ্যাতনামা হাসপাতালে দীর্ঘকাল ধরে সুনামের সঙ্গে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন।

বুধবার ভোরে নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ হিসেবে তীব্র হার্ট অ্যাটাককে দায়ী করা হচ্ছে।

ঘটনার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, মৃত্যুর কিছুদিন আগেই সম্পন্ন হওয়া তার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রক্তচাপ, সুগার এবং ইসিজি (ECG) রিপোর্ট সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল। তার কোনো পূর্বের বড় ধরনের শারীরিক অসুস্থতার ইতিহাসও ছিল না।

সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ড. পাখমোডে নিয়মিত শরীরচর্চা করতেন এবং বাইরে থেকে তাকে দেখে এমন কোনো শারীরিক অসুস্থতার আভাস পাওয়া যেত না। তার এই আকস্মিক মৃত্যু কেবল পরিবার ও সহকর্মীদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতিই নয়, বরং চিকিৎসক সমাজ এবং সাধারণ মানুষের মনেও গভীর উদ্বেগ ও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এটি এই প্রশ্ন উত্থাপন করেছে যে, শারীরিক সুস্থতা ও স্বাভাবিক স্বাস্থ্য রিপোর্ট কি হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক রোগ থেকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দিতে পারে? এই ঘটনা স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং হৃদরোগ প্রতিরোধের নতুন দিকগুলো নিয়ে ভাবার অবকাশ তৈরি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই সাংবাদিকের ওপর বর্বরোচিত হামলা, আহত ২

সুস্থ-সবল শরীরেও হৃদরোগে নিভে গেল এক প্রতিভাবান চিকিৎসকের জীবন

আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের নাগপুরে এক মর্মান্তিক ঘটনায় শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ ও নিয়মিত ব্যায়ামকারী এক প্রথিতযশা নিউরোসার্জনের আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। বিস্ময়করভাবে, তার সকল স্বাস্থ্য পরীক্ষাও ছিল স্বাভাবিক। ৫৩ বছর বয়সী প্রয়াত চিকিৎসক ড. চন্দ্রশেখর পাখমোডে নাগপুরের একটি খ্যাতনামা হাসপাতালে দীর্ঘকাল ধরে সুনামের সঙ্গে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন।

বুধবার ভোরে নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ হিসেবে তীব্র হার্ট অ্যাটাককে দায়ী করা হচ্ছে।

ঘটনার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, মৃত্যুর কিছুদিন আগেই সম্পন্ন হওয়া তার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রক্তচাপ, সুগার এবং ইসিজি (ECG) রিপোর্ট সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল। তার কোনো পূর্বের বড় ধরনের শারীরিক অসুস্থতার ইতিহাসও ছিল না।

সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ড. পাখমোডে নিয়মিত শরীরচর্চা করতেন এবং বাইরে থেকে তাকে দেখে এমন কোনো শারীরিক অসুস্থতার আভাস পাওয়া যেত না। তার এই আকস্মিক মৃত্যু কেবল পরিবার ও সহকর্মীদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতিই নয়, বরং চিকিৎসক সমাজ এবং সাধারণ মানুষের মনেও গভীর উদ্বেগ ও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এটি এই প্রশ্ন উত্থাপন করেছে যে, শারীরিক সুস্থতা ও স্বাভাবিক স্বাস্থ্য রিপোর্ট কি হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক রোগ থেকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দিতে পারে? এই ঘটনা স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং হৃদরোগ প্রতিরোধের নতুন দিকগুলো নিয়ে ভাবার অবকাশ তৈরি করেছে।