দেশের সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় এবং চালের বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আজ থেকে দেশের ৪১৯টি উপজেলায় বিশেষ ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কর্মসূচির আওতায় ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। এই বিশেষ কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের নিম্নআয়ের মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই অতিরিক্ত ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি উপজেলায় প্রতিদিন এক মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ক্রেতারা প্রতি কেজি চাল মাত্র ৩০ টাকা দরে ক্রয় করতে পারবেন। উল্লেখ্য, সারাদেশে আগে থেকেই চলমান সাধারণ ওএমএস কার্যক্রমের পাশাপাশি এই অতিরিক্ত কর্মসূচিটি পরিচালিত হবে।
বর্তমানে দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশন, ৫২টি জেলা সদর পৌরসভা এবং শ্রমঘন উপজেলা ও পৌরসভাসহ মোট ১ হাজার ৮১টি কেন্দ্রে নিয়মিত ওএমএস কার্যক্রম চালু রয়েছে। ওই কেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন ১ হাজার ৪১৭ দশমিক ৫ মেট্রিক টন আটা এবং ১ হাজার ১৭৫ মেট্রিক টন চাল ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। সেখানে প্রতি কেজি খোলা আটা ২৪ টাকা এবং ২ কেজির প্যাকেট আটা ৫৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে বর্তমানে খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তা সত্ত্বেও কিছু কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে সরু চালের দাম বাড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা অনভিপ্রেত। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অসাধু উপায়ে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমানে মাঝারি ও মোটা চালের বাজারদর স্থিতিশীল রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
মূলত চালের বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধ এবং সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সরকারের এই বিশেষ ওএমএস কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
















