মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

আদালত চত্বরে সংবাদকর্মীকে লাঠিপেটা: তীব্র সমালোচনার মুখে বিএনপি নেতা মুন্সি

আদালত প্রাঙ্গণে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সংবাদকর্মীর ওপর লাঠি দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুন্সির বিরুদ্ধে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র নিন্দার ঝড় বইছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলার শুনানিতে অংশ নিতে আসা এই নেতার অনুসারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি নিজেই লাঠি হাতে সাংবাদিকের ওপর চড়াও হন।

হামলার শিকার ওই সাংবাদিককে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, তিনি কেবল ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ ও ছবি তোলার চেষ্টা করছিলেন, যা কোনো উস্কানিমূলক কাজ ছিল না। অথচ কোনো কারণ ছাড়াই তার ওপর এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এই ঘটনার একটি ভিডিও চিত্র ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে অভিযুক্ত নেতাকে উত্তেজিত অবস্থায় আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে দেখা গেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তারা এই ন্যক্কারজনক হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। সাংবাদিক নেতারা এক বিবৃতিতে বলেছেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর এ ধরনের নগ্ন হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই কাম্য নয়। রাজনৈতিক পদে আসীন বা প্রার্থী হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে এমন অপেশাদার আচরণ জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও সাধারণ মানুষ এবং সুশীল সমাজ একে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবেই দেখছেন। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় সাংবাদিক মহলে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং এই বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এম নাসের রহমানকে নিয়ে ভুয়া ভিডিও: সংসদ সদস্যের আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা

আদালত চত্বরে সংবাদকর্মীকে লাঠিপেটা: তীব্র সমালোচনার মুখে বিএনপি নেতা মুন্সি

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

আদালত প্রাঙ্গণে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সংবাদকর্মীর ওপর লাঠি দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুন্সির বিরুদ্ধে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র নিন্দার ঝড় বইছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলার শুনানিতে অংশ নিতে আসা এই নেতার অনুসারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি নিজেই লাঠি হাতে সাংবাদিকের ওপর চড়াও হন।

হামলার শিকার ওই সাংবাদিককে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, তিনি কেবল ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ ও ছবি তোলার চেষ্টা করছিলেন, যা কোনো উস্কানিমূলক কাজ ছিল না। অথচ কোনো কারণ ছাড়াই তার ওপর এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এই ঘটনার একটি ভিডিও চিত্র ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে অভিযুক্ত নেতাকে উত্তেজিত অবস্থায় আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে দেখা গেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তারা এই ন্যক্কারজনক হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। সাংবাদিক নেতারা এক বিবৃতিতে বলেছেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর এ ধরনের নগ্ন হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই কাম্য নয়। রাজনৈতিক পদে আসীন বা প্রার্থী হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে এমন অপেশাদার আচরণ জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও সাধারণ মানুষ এবং সুশীল সমাজ একে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবেই দেখছেন। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় সাংবাদিক মহলে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং এই বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।