ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

সমাবেশ ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: ৬ স্তরের সুরক্ষা বলয়ে ঢাকা থাকবে সভাস্থল

আসন্ন সমাবেশকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সভাস্থল ও এর আশপাশের এলাকায় জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে গ্রহণ করা হয়েছে নজিরবিহীন ৬ স্তরের বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সমাবেশস্থলের প্রতিটি প্রবেশপথে বসানো হয়েছে শক্তিশালী তল্লাশি চৌকি। মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে প্রতিটি মানুষকে নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করে তবেই ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ এবং উঁচু ভবনগুলোর ছাদে অবস্থান নিয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক দল ও স্নাইপাররা, যাতে ওপর থেকে পুরো এলাকার পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা যায়।

প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে পুরো এলাকাকে নিয়ে আসা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়। একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক ডিজিটাল মনিটরিং করা হচ্ছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জনসমাগমস্থলে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নাশকতা রোধে ডিবি পুলিশের একাধিক টিম ছদ্মবেশে তৎপর রয়েছে।

এদিকে, জনভোগান্তি কমাতে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সচল রাখতে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকেও বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ডাইভারশন দিয়ে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং সমাবেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতেই এই সমন্বিত ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের উস্কানি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির বড় অংশ বরাদ্দের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

সমাবেশ ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: ৬ স্তরের সুরক্ষা বলয়ে ঢাকা থাকবে সভাস্থল

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন সমাবেশকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সভাস্থল ও এর আশপাশের এলাকায় জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে গ্রহণ করা হয়েছে নজিরবিহীন ৬ স্তরের বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সমাবেশস্থলের প্রতিটি প্রবেশপথে বসানো হয়েছে শক্তিশালী তল্লাশি চৌকি। মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে প্রতিটি মানুষকে নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করে তবেই ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ এবং উঁচু ভবনগুলোর ছাদে অবস্থান নিয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক দল ও স্নাইপাররা, যাতে ওপর থেকে পুরো এলাকার পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা যায়।

প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে পুরো এলাকাকে নিয়ে আসা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়। একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক ডিজিটাল মনিটরিং করা হচ্ছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জনসমাগমস্থলে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নাশকতা রোধে ডিবি পুলিশের একাধিক টিম ছদ্মবেশে তৎপর রয়েছে।

এদিকে, জনভোগান্তি কমাতে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সচল রাখতে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকেও বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ডাইভারশন দিয়ে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং সমাবেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতেই এই সমন্বিত ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের উস্কানি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।