ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

জাতীয় নির্বাচনে ২৯০ আসনে লড়ছে বিএনপি: জোট শরিকদের জন্য ১০ আসন ছাড়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ২৯০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের উচ্চপর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বাকি ১০টি আসন জোট শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয় এবং গতকাল বুধবার দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা জানিয়েছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তারা এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। দলের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ভোটাররা নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের পর এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতিটি আসনে যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী বাছাইয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। তৃণমূলের মতামত এবং কেন্দ্রীয় কমিটির পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এই তালিকা দ্রুতই নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে। জোট শরিকদের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনা চলছিল, যা মঙ্গলবার রাতে চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে। ছোট শরিক দলগুলোকে তাদের প্রভাবাধীন আসনে প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ করে দিতেই বিএনপি এই ১০টি আসন ছেড়ে দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং নির্বাচনকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করে তুলবে। তাদের মতে, প্রধান বিরোধী দলের ব্যাপক অংশগ্রহণ ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং ভোটের হার বাড়াতে সাহায্য করবে। এই মুহূর্তে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী আমেজকে কেন্দ্র করে দলটির এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির বড় অংশ বরাদ্দের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় নির্বাচনে ২৯০ আসনে লড়ছে বিএনপি: জোট শরিকদের জন্য ১০ আসন ছাড়

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ২৯০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের উচ্চপর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বাকি ১০টি আসন জোট শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয় এবং গতকাল বুধবার দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা জানিয়েছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তারা এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। দলের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ভোটাররা নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের পর এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতিটি আসনে যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী বাছাইয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। তৃণমূলের মতামত এবং কেন্দ্রীয় কমিটির পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এই তালিকা দ্রুতই নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে। জোট শরিকদের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনা চলছিল, যা মঙ্গলবার রাতে চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে। ছোট শরিক দলগুলোকে তাদের প্রভাবাধীন আসনে প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ করে দিতেই বিএনপি এই ১০টি আসন ছেড়ে দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং নির্বাচনকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করে তুলবে। তাদের মতে, প্রধান বিরোধী দলের ব্যাপক অংশগ্রহণ ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং ভোটের হার বাড়াতে সাহায্য করবে। এই মুহূর্তে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী আমেজকে কেন্দ্র করে দলটির এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।