আসন্ন রমজান মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীরা ২৮ হাজার টনের বেশি এলপিজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মঙ্গলবার ঢাকার রেল ভবনে এলপিজি অপারেটরদের সংগঠন লোয়াবের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এই আশ্বাস দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে রমজান মাসের আগেই এলপিজি নিয়ে বিদ্যমান সংকট নিরসন হবে বলে ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে জ্বালানি উপদেষ্টা ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেন যেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বেই এলপিজির কোনো ঘাটতি সৃষ্টি না হয় এবং রমজান মাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়। তিনি আরও বলেন, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে অপারেটররা এলপিজি আমদানির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা যেন বাস্তবে রূপ নেয়। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
অন্যদিকে, এলপিজি অপারেটররা আন্তর্জাতিক বাজারে কিছু প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে আমদানি কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত হওয়ার কথা জানান। তারা অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে উপদেষ্টাকে অবহিত করেন যে, চলতি মাসে ১২টি কোম্পানি মোট এক লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ টন এলপিজি আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে এই পরিমাণ বাড়িয়ে এক লাখ ৮৪ হাজার ১০০ টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে এলপিজি সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
সভায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 















