দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও হেফাজতে নির্যাতনের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের সড়কে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এমন দাবি জানানো হয়।
মানবন্ধনে সূচনা বক্তব্যে আসকের সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর আবু আহমেদ ফয়জুল কবির দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও হেফাজতে নির্যাতনের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি জানান।
এরপর আসকের পক্ষ থেকে ঝর্ণা খানম ১৫ দাফা দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও হেফাজতে নির্যাতনের অবসান, বেআইনি গ্রেফতার বন্ধ, মিথ্যা মামলার অবসান, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক আচরণ, নারীর সমান অধিকার বাস্তবায়ন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, শিল্প-সংস্কৃতির স্বাধীন চর্চা, মব সহিংসতার বিচার, মানবাধিকার ও তথ্য কমিশনের স্বচ্ছ পুনর্গঠন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন, নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন নিরপেক্ষ ও কার্যকর হিসেবে গঠন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অভিজ্ঞ বেসরকারি সংস্থার অন্তর্ভুক্তি, অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নির্বিঘ্ন কার্যক্রম নিশ্চিতের দাবি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মানববন্ধনে আসকের সিনিয়র স্টাফ ল’ইয়ার সেলিনা আক্তার অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের দাবি জানান।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে সমাপনী বক্তব্য রাখেন আসকের উপদেষ্টা ও নির্বাহী কমিটির সদস্য মাবরুক মোহাম্মাদ। তিনি বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষা ছাড়া ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন নিশ্চিতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
এর আগে আসক একটি র্যালি বের করে; যা আসকের কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
রিপোর্টারের নাম 























