দীর্ঘ ২৩ বছরের আক্ষেপ ও ট্রফি খরা ঘোচানোর নতুন অভিযানে নামছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। ২০০৩ সালে ঢাকার মাটিতেই শেষবার সাফ ফুটবলের শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবার ঢাকায় দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ফিরে আসায় শিরোপা পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে স্বাগতিকদের সামনে।
আগামীকাল ৫ নভেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া ১৫তম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন দলের প্রধান কোচ থমাস ডুলি ও অধিনায়ক তপু বর্মণ। সেখানে অতীতে ট্রফি না পাওয়ার চাপ বর্তমান দলের ওপর প্রভাব ফেলবে না বলে দাবি করেন ডাচ কোচ ডুলি।
আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে ডুলি বলেন, “জীবনের প্রতিটি লক্ষ্যই বাস্তবসম্মত হওয়া উচিত। এই টুর্নামেন্টে আমাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়া পুরোপুরি বাস্তবসম্মত। অতীতের চাপ সামলে আমাদের দল এখন অনেক আত্মবিশ্বাসী। কঠোর পরিশ্রম ও মাঠে শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াইয়ের মাধ্যমে আমরা এবার ট্রফিটা নিজেদের করে নিতে চাই।”
ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা ও সমর্থকদের প্রত্যাশার চাপকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন অধিনায়ক তপু বর্মণ। তিনি বলেন, “চাপ যেখানে থাকে, সেখান থেকেই ভালো ফল আসে। সমর্থকরা চান আমরা যেন শিরোপা জিতি। আমরাও মাঠে সেরাটা দিয়ে তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আগামীকাল রাত আটটায় ভুটানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এর আগে দিনের প্রথম ম্যাচে বিকেল সাড়ে তিনটায় লড়বে ভারত ও পাকিস্তান। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। সেরা পারফরম্যান্স দিয়ে দেশের মাটিতে ইতিহাস পুনঃপ্রতিষ্ঠাই এখন লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের মূল লক্ষ্য।

























