মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১১:৫৯ পূর্বাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

কাউখালীতে সন্ধ্যা নদী থেকে সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ

  • হালনাগাদ সময় : ১০:৩১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে পিরোজপুরের কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে সাড়ে আট হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর।

রোববার দুপুরে সন্ধ্যা নদীর লঞ্চঘাট ও চিরাপাড়া মোহনা পয়েন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নৌ পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে আনুমানিক ৩০ হাজার টাকা মূল্যের সাড়ে সাত হাজার মিটার অবৈধ সুতার কারেন্ট জাল এবং এক হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানান, প্রজনন মৌসুমে ইলিশের বংশবৃদ্ধি নির্বিঘ্ন করতে নদী ও জলসীমায় সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার জানান, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অব্যাহত থাকবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

মুশফিককে ছাড়া মিরপুরে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, চোখ টেস্টের ফাইনালে

28 October 2026

বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, কত নম্বরে ঢাকা?

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

কাউখালীতে সন্ধ্যা নদী থেকে সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ

হালনাগাদ সময় : ১০:৩১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে পিরোজপুরের কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে সাড়ে আট হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর।

রোববার দুপুরে সন্ধ্যা নদীর লঞ্চঘাট ও চিরাপাড়া মোহনা পয়েন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নৌ পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে আনুমানিক ৩০ হাজার টাকা মূল্যের সাড়ে সাত হাজার মিটার অবৈধ সুতার কারেন্ট জাল এবং এক হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানান, প্রজনন মৌসুমে ইলিশের বংশবৃদ্ধি নির্বিঘ্ন করতে নদী ও জলসীমায় সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার জানান, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অব্যাহত থাকবে।

Share this news as a Photo Card