মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১২:৪১ অপরাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ প্রায় ১১৫ বিলিয়ন ডলার, সরকারি খাতে বৃদ্ধি

  • হালনাগাদ সময় : ০৭:৫৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ বেড়ে ১১৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা প্রায় ১১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) এই ঋণ আগের প্রান্তিকের তুলনায় ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনের শেষে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে। এর আগের প্রান্তিকে এ পরিমাণ ছিল ৯০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, মাত্র তিন মাসে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ প্রায় ৪১৯ কোটি ডলার বেড়েছে।

তবে একই সময়ে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ ১৪ কোটি ডলার কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, গত জুনের শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের ৮৭ দশমিক ৫২ শতাংশ ছিল দীর্ঘমেয়াদি। এর পরিমাণ ছিল ১০০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, স্বল্পমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

ঋণদাতার ধরন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৮ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। দ্বিপক্ষীয় ঋণ ছিল ৩২ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া বাণিজ্যিক ঋণের পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ ছিল প্রায় ৫ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চের শেষে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ ছিল প্রায় ২০ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলার। জুনের শেষে তা কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি ঋণ, ক্রেতাঋণ (বায়ার্স ক্রেডিট) ও বাণিজ্যঋণ কমে যাওয়ায় এ খাতের মোট বৈদেশিক ঋণ হ্রাস পেয়েছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে আছে ৩১৮টি বিপজ্জনক রাসায়নিক কনটেইনার: বড় বিস্ফোরণঝুঁকি

28 October 2026

ছয় মাসে পুলিশের ওপর ৩১৭ হামলা: মনোবল ফেরাতে বডি ক্যামেরা ও প্রশিক্ষণের উদ্যোগ

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ প্রায় ১১৫ বিলিয়ন ডলার, সরকারি খাতে বৃদ্ধি

হালনাগাদ সময় : ০৭:৫৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ বেড়ে ১১৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা প্রায় ১১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) এই ঋণ আগের প্রান্তিকের তুলনায় ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনের শেষে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে। এর আগের প্রান্তিকে এ পরিমাণ ছিল ৯০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, মাত্র তিন মাসে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ প্রায় ৪১৯ কোটি ডলার বেড়েছে।

তবে একই সময়ে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ ১৪ কোটি ডলার কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, গত জুনের শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের ৮৭ দশমিক ৫২ শতাংশ ছিল দীর্ঘমেয়াদি। এর পরিমাণ ছিল ১০০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, স্বল্পমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

ঋণদাতার ধরন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৮ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। দ্বিপক্ষীয় ঋণ ছিল ৩২ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া বাণিজ্যিক ঋণের পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ ছিল প্রায় ৫ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চের শেষে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ ছিল প্রায় ২০ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলার। জুনের শেষে তা কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি ঋণ, ক্রেতাঋণ (বায়ার্স ক্রেডিট) ও বাণিজ্যঋণ কমে যাওয়ায় এ খাতের মোট বৈদেশিক ঋণ হ্রাস পেয়েছে।

Share this news as a Photo Card