মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১২:৪১ অপরাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

ভোলা থেকে এলএনজি আনার পক্ষে নয় পেট্রোবাংলার নীতিনির্ধারকরা

  • হালনাগাদ সময় : ০৯:৫৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

ভোলা থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে পেট্রোবাংলার নীতিনির্ধারক ও বিতরণকারী কোম্পানিগুলোর কোনো সংশ্লিষ্টতা বা সমর্থন নেই বলে দাবি করেছেন সংস্থাটির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের দীর্ঘমেয়াদী ও সাশ্রয়ী পথ এড়িয়ে ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলএনজি বা সিএনজি আমদানির পেছনে বিশেষ কোনো ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেট্রোবাংলার এক পরিচালক জানান, বিগত সরকারের আমলেও জোরপূর্বক এই ধরনের ব্যয়বহুল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছিল, যা জ্বালানি খাতের টেকসই সমাধানের জন্য উপযোগী নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোলা থেকে বরিশাল হয়ে খুলনা পর্যন্ত পাইপলাইন স্থাপন করা হলে দীর্ঘমেয়াদে বিপুল পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব, যা সিলিন্ডার বা এলএনজি আকারে আনা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। পাইপলাইন নির্মাণের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রকল্প প্রস্তুত থাকলেও তা বাস্তবায়ন না করে একটি বিশেষ গোষ্ঠী অতিরিক্ত কমিশন ও ব্যক্তিগত লাভের জন্য এই বিপজ্জনক পথ বেছে নিচ্ছে।

কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. এম শামসুল আলম জানিয়েছেন, অপ্রয়োজনীয় এই বাড়তি ব্যয় তৈরির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডও (বিপিডিবি) গ্যাস সাশ্রয়ের জন্য বিকল্প প্রস্তাব দিয়ে আসছে। কিন্তু সব কিছু উপেক্ষা করে একটি চক্র সরকারের নীতিনির্ধারকদের ভুল বুঝিয়ে এই উচ্চ খরচের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে আছে ৩১৮টি বিপজ্জনক রাসায়নিক কনটেইনার: বড় বিস্ফোরণঝুঁকি

28 October 2026

ছয় মাসে পুলিশের ওপর ৩১৭ হামলা: মনোবল ফেরাতে বডি ক্যামেরা ও প্রশিক্ষণের উদ্যোগ

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

ভোলা থেকে এলএনজি আনার পক্ষে নয় পেট্রোবাংলার নীতিনির্ধারকরা

হালনাগাদ সময় : ০৯:৫৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ভোলা থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে পেট্রোবাংলার নীতিনির্ধারক ও বিতরণকারী কোম্পানিগুলোর কোনো সংশ্লিষ্টতা বা সমর্থন নেই বলে দাবি করেছেন সংস্থাটির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের দীর্ঘমেয়াদী ও সাশ্রয়ী পথ এড়িয়ে ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলএনজি বা সিএনজি আমদানির পেছনে বিশেষ কোনো ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেট্রোবাংলার এক পরিচালক জানান, বিগত সরকারের আমলেও জোরপূর্বক এই ধরনের ব্যয়বহুল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছিল, যা জ্বালানি খাতের টেকসই সমাধানের জন্য উপযোগী নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোলা থেকে বরিশাল হয়ে খুলনা পর্যন্ত পাইপলাইন স্থাপন করা হলে দীর্ঘমেয়াদে বিপুল পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব, যা সিলিন্ডার বা এলএনজি আকারে আনা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। পাইপলাইন নির্মাণের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রকল্প প্রস্তুত থাকলেও তা বাস্তবায়ন না করে একটি বিশেষ গোষ্ঠী অতিরিক্ত কমিশন ও ব্যক্তিগত লাভের জন্য এই বিপজ্জনক পথ বেছে নিচ্ছে।

কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. এম শামসুল আলম জানিয়েছেন, অপ্রয়োজনীয় এই বাড়তি ব্যয় তৈরির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডও (বিপিডিবি) গ্যাস সাশ্রয়ের জন্য বিকল্প প্রস্তাব দিয়ে আসছে। কিন্তু সব কিছু উপেক্ষা করে একটি চক্র সরকারের নীতিনির্ধারকদের ভুল বুঝিয়ে এই উচ্চ খরচের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

Share this news as a Photo Card