ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

১০ শিক্ষার্থীকে আইডিয়াল স্কুলে ভর্তি নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিভিন্ন শ্রেণিতে ১০ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই ১০ শিক্ষার্থীর সহোদর বা সহোদরা বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যয়নরত। একইসঙ্গে সরকারের পরিপত্র অনুযায়ী তাদের ভর্তির বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না দেওয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন আদালত। মামলার বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আনিচুর রহমান ও হালিমা রুনা।

পরে আনিচুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ১০ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবক এ রিট আবেদন করেছেন। তাদের প্রত্যেকের একটি করে সন্তান আইডিয়াল স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণিতে পড়াশোনা করছেন। তাই তারা আরেক সন্তানকে এই স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করেন। কিন্তু অধ্যক্ষ এ বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা রিট আবেদন করেন। ১০ আবেদনকারীর পক্ষে রিটটি করেন একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. ওবায়দুল্লাহ।

তিনি বলেন, গত ১৬ নভেম্বর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন আহ্বান করেন। আবেদন করার সময় নির্ধারণ করা হয় ২১ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রিট আবেদনকারীরা তাদের সন্তানদের জন্য ভর্তির আবেদন করেন। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে নীরব রয়েছে। আবেদনকারীরা তাদের সন্তানদের ভর্তির নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেছেন। শুনানি নিয়ে এই ১০ শিক্ষার্থীকে ভর্তির আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং রুল জারি করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর সরকার ‘বেসরকারি স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ (মাধ্যমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও সংযুক্ত প্রাথমিক স্তর) শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা ২০২৪’ জারি করেছে; যেখানে কোনও বিদ্যালয়ে সহোদর-সহোদরা অধ্যয়নরত থাকলে অপরজনকে ভর্তি করানোর কথা বলা হয়েছে। রিট আবেদনে এই নীতিমালা সংযুক্ত করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ শিক্ষার্থীকে আইডিয়াল স্কুলে ভর্তি নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৯:০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিভিন্ন শ্রেণিতে ১০ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই ১০ শিক্ষার্থীর সহোদর বা সহোদরা বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যয়নরত। একইসঙ্গে সরকারের পরিপত্র অনুযায়ী তাদের ভর্তির বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না দেওয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন আদালত। মামলার বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আনিচুর রহমান ও হালিমা রুনা।

পরে আনিচুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ১০ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবক এ রিট আবেদন করেছেন। তাদের প্রত্যেকের একটি করে সন্তান আইডিয়াল স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণিতে পড়াশোনা করছেন। তাই তারা আরেক সন্তানকে এই স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করেন। কিন্তু অধ্যক্ষ এ বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা রিট আবেদন করেন। ১০ আবেদনকারীর পক্ষে রিটটি করেন একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. ওবায়দুল্লাহ।

তিনি বলেন, গত ১৬ নভেম্বর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন আহ্বান করেন। আবেদন করার সময় নির্ধারণ করা হয় ২১ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রিট আবেদনকারীরা তাদের সন্তানদের জন্য ভর্তির আবেদন করেন। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে নীরব রয়েছে। আবেদনকারীরা তাদের সন্তানদের ভর্তির নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেছেন। শুনানি নিয়ে এই ১০ শিক্ষার্থীকে ভর্তির আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং রুল জারি করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর সরকার ‘বেসরকারি স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ (মাধ্যমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও সংযুক্ত প্রাথমিক স্তর) শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা ২০২৪’ জারি করেছে; যেখানে কোনও বিদ্যালয়ে সহোদর-সহোদরা অধ্যয়নরত থাকলে অপরজনকে ভর্তি করানোর কথা বলা হয়েছে। রিট আবেদনে এই নীতিমালা সংযুক্ত করা হয়েছে।