মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০২:৩০ পূর্বাহ্ন | ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

নভেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণের জন্য বিশেষ নীতি সহায়তা ঘোষণা

  • হালনাগাদ সময় : ০৯:১৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

ক্ষতিগ্রস্ত ও সমস্যাগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়িক পুনরুদ্ধার ও আর্থিক কাঠামো পুনর্গঠনে নতুন বিশেষ নীতি সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে চলতি বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত খেলাপি হওয়া ঋণ পুনঃতফসিলের আওতায় আনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিরূপমান বা অনাদায়ী সব খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে পুনঃতফসিল করা যাবে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড প্রদান করা যাবে। ফলে আগে থেকেই খেলাপি থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো আবারও বিশেষ সুবিধার সুযোগ পাচ্ছে।

অশ্রেণিকৃত মেয়াদি ঋণ—যার মধ্যে পূর্বে পুনঃতফসিল করা ঋণও রয়েছে—এসব ক্ষেত্রে পূর্বের নীতিমালার বাইরে আরও দুই বছর অতিরিক্ত মেয়াদ বাড়ানো যাবে। এ জন্য বিআরপিডি সার্কুলার নং ১৬/২০২২–এ নির্ধারিত সময়সীমার অতিরিক্ত এই বিশেষ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। এছাড়া ব্যাংকগুলোর জন্য এক্সিট সুবিধা বাস্তবায়নেও কিছু শিথিলতা আনা হয়েছে।

 আগের নির্দেশনা অনুযায়ী, ডাউনপেমেন্ট প্রাপ্তির পর এক্সিট সুবিধার মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর সুযোগ থাকবে। মাসিক বা ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধ বাধ্যতামূলক হলেও বছরে অন্তত ২০ শতাংশ ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এই সময়ে ঋণগুলো ‘এক্সিট (এসএমএ)’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সাধারণ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে। তবে প্রকৃত আদায় ছাড়া পূর্বে রাখা স্পেসিফিক প্রভিশনকে আয় হিসেবে গণ্য করা যাবে না। 

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এক্সিট সুবিধার আওতায় পরপর তিন মাসিক বা একটি ত্রৈমাসিক কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণ স্বাভাবিক নিয়মে শ্রেণিকরণ করতে হবে এবং পূর্ণ প্রভিশন সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক হবে। তাছাড়া ঋণ পুরোপুরি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে নতুন কোনও ঋণ অনুমোদন করা যাবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন নীতি ব্যাংকগুলোর জন্য সমস্যাগ্রস্ত ঋণ পুনরুদ্ধারে কিছুটা নমনীয়তার সুযোগ তৈরি করলেও সঠিক তদারকি ছাড়া এ ধরনের সুবিধা ভবিষ্যতে ঋণঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই প্রয়োগ পর্যায়ে কঠোর নজরদারি ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল

29 October 2026

মাগুরায় বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

নভেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণের জন্য বিশেষ নীতি সহায়তা ঘোষণা

হালনাগাদ সময় : ০৯:১৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

ক্ষতিগ্রস্ত ও সমস্যাগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়িক পুনরুদ্ধার ও আর্থিক কাঠামো পুনর্গঠনে নতুন বিশেষ নীতি সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে চলতি বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত খেলাপি হওয়া ঋণ পুনঃতফসিলের আওতায় আনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিরূপমান বা অনাদায়ী সব খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে পুনঃতফসিল করা যাবে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড প্রদান করা যাবে। ফলে আগে থেকেই খেলাপি থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো আবারও বিশেষ সুবিধার সুযোগ পাচ্ছে।

অশ্রেণিকৃত মেয়াদি ঋণ—যার মধ্যে পূর্বে পুনঃতফসিল করা ঋণও রয়েছে—এসব ক্ষেত্রে পূর্বের নীতিমালার বাইরে আরও দুই বছর অতিরিক্ত মেয়াদ বাড়ানো যাবে। এ জন্য বিআরপিডি সার্কুলার নং ১৬/২০২২–এ নির্ধারিত সময়সীমার অতিরিক্ত এই বিশেষ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। এছাড়া ব্যাংকগুলোর জন্য এক্সিট সুবিধা বাস্তবায়নেও কিছু শিথিলতা আনা হয়েছে।

 আগের নির্দেশনা অনুযায়ী, ডাউনপেমেন্ট প্রাপ্তির পর এক্সিট সুবিধার মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর সুযোগ থাকবে। মাসিক বা ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধ বাধ্যতামূলক হলেও বছরে অন্তত ২০ শতাংশ ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এই সময়ে ঋণগুলো ‘এক্সিট (এসএমএ)’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সাধারণ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে। তবে প্রকৃত আদায় ছাড়া পূর্বে রাখা স্পেসিফিক প্রভিশনকে আয় হিসেবে গণ্য করা যাবে না। 

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এক্সিট সুবিধার আওতায় পরপর তিন মাসিক বা একটি ত্রৈমাসিক কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণ স্বাভাবিক নিয়মে শ্রেণিকরণ করতে হবে এবং পূর্ণ প্রভিশন সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক হবে। তাছাড়া ঋণ পুরোপুরি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে নতুন কোনও ঋণ অনুমোদন করা যাবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন নীতি ব্যাংকগুলোর জন্য সমস্যাগ্রস্ত ঋণ পুনরুদ্ধারে কিছুটা নমনীয়তার সুযোগ তৈরি করলেও সঠিক তদারকি ছাড়া এ ধরনের সুবিধা ভবিষ্যতে ঋণঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই প্রয়োগ পর্যায়ে কঠোর নজরদারি ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

Share this news as a Photo Card