ঢাকা ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

দলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় ‘জাতীয় জনজাতি জোট’-এর যাত্রা শুরু

দেশের দলিত, হরিজন ও তফসিলি সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ‘জাতীয় জনজাতি জোট’ নামে নতুন একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন হিসেবে এটি কাজ করবে। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, স্বাধীনতার অন্যতম মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা। তবে স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পার হলেও দলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ এখনো রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে চরম বৈষম্যের শিকার। তাদের জন্য পৃথক জনশুমারি এবং তথ্যভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি।

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কেবল ভোটের সময় ব্যবহার করে, কিন্তু তাদের অধিকার আদায়ে কোনো ভূমিকা রাখে না। সমাজে এখনো তারা নানাভাবে লাঞ্ছিত হচ্ছেন। নবগঠিত এই জোটের মাধ্যমে দলিত ও তফসিলি সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার আদায়ে রাজপথে সোচ্চার থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে ডেভিড রাজুকে আহ্বায়ক ও কৈলাশচন্দ্র রবিদাসকে সদস্য সচিব করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক নীতি বহাল, বেসরকারি ঋণে লাগাম

দলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় ‘জাতীয় জনজাতি জোট’-এর যাত্রা শুরু

আপডেট সময় : ০৯:০০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

দেশের দলিত, হরিজন ও তফসিলি সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ‘জাতীয় জনজাতি জোট’ নামে নতুন একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন হিসেবে এটি কাজ করবে। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, স্বাধীনতার অন্যতম মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা। তবে স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পার হলেও দলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ এখনো রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে চরম বৈষম্যের শিকার। তাদের জন্য পৃথক জনশুমারি এবং তথ্যভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি।

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কেবল ভোটের সময় ব্যবহার করে, কিন্তু তাদের অধিকার আদায়ে কোনো ভূমিকা রাখে না। সমাজে এখনো তারা নানাভাবে লাঞ্ছিত হচ্ছেন। নবগঠিত এই জোটের মাধ্যমে দলিত ও তফসিলি সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার আদায়ে রাজপথে সোচ্চার থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে ডেভিড রাজুকে আহ্বায়ক ও কৈলাশচন্দ্র রবিদাসকে সদস্য সচিব করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।