বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ক্ষতি করে গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন রিসোর্টগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। পরিদর্শনকালে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেছেন, সুন্দরবনের পরিবেশ কিংবা প্রাণ-প্রকৃতির ক্ষতি সাধিত হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ড বা স্থাপনা সরকার কোনোভাবেই অনুমোদন দেবে না।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ১৮টি ইকো-রিসোর্ট সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় তাঁর সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বন বিভাগের বাগেরহাট ও মোংলা অঞ্চলের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার (ইসিএ) বিধিমালা লঙ্ঘন করে বেআইনিভাবে এসব রিসোর্ট গড়ে তোলা হয়েছে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বনের নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণ সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার। তাই শব্দদূষণ, বন্যপ্রাণী শিকার বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো কর্মকাণ্ড ধরা পড়লে অথবা কোনো অবৈধ স্থাপনা পাওয়া গেলে তা তাৎক্ষণিক বন্ধ করে দেওয়া হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিকভাবে ঘুরে দেখার সময় তাৎক্ষণিক কোনো প্রত্যক্ষ ক্ষতি পরিলক্ষিত না হলেও মন্ত্রণালয়ে ফিরে তদারকি ও পর্যালোচনা বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, নীতিমালার তোয়াক্কা না করে সুন্দরবনসংলগ্ন দাকোপ ও মোংলা সীমান্ত এলাকায় অনুমোদনহীনভাবে এসব রিসোর্ট গড়ে ওঠে। পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনার জেলা কার্যালয় থেকে সম্প্রতি সুন্দরবনসংলগ্ন দাকোপের ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও বাণিশান্তা এলাকার ১৮টি রিসোর্টকে কার্যক্রম বন্ধসহ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।























