মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৮:২৪ অপরাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

সাত লাখ টন ধান-চাল কেনার সিদ্ধান্ত

  • হালনাগাদ সময় : ০৮:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

সরকার সাত লাখ টন ধান ও চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বছর আমন ধান সংগ্রহ করা হবে ৫০ হাজার মেট্রিক টন। সেদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হবে ৬ লাখ মেট্রিক টন এবং আতপ চাল সংগ্রহ করা হবে ৫০ হাজার মেট্রিক টন। আগামী ২০ নভেম্বর থেকে আমন সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার। প্রতি কেজি ধান ৩৯ টাকা, আতপ চাল ৪৯ টাকা এবং সেদ্ধ চাল ৫০ টাকা কেজি দরে সংগ্রহ করা হবে।

রবিবার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আগামী ২০ নভেম্বর থেকে সারা দেশে আমন মৌসুমের ধান-চাল কেনা শুরু করবে সরকার। এই সংগ্রহ অভিযান চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ধান যদি কৃষক বিক্রি করতে না পারে, তখন চাতালের লোকজন কম দামে নিয়ে যান। গত বছর ২৫ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছিল।

তিনি বলেন, আমাদের মূল্যস্ফীতি কমেছে। আমরা চেষ্টা করছি খাদ্যের প্যাকেজটা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে। এজন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে বছরে ৬ মাস ৫৫ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া হয়। টিসিবির ৮০ লাখ লোককে দেওয়া হয় এবং ওএসএস থেকে ৩০ টাকা দরে বছরে দুইবার চাল দেওয়া হয়। সর্বমোট ২ কোটির বেশি লোক এই সুবিধা পেয়ে থাকেন। এছাড়া জেলে পরিবারদের জন্য বিশেষ ভিজিএফ দেওয়া হয়। সেটা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। সেখানে সময় বাড়ানোর জন্য বলা হয়েছে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, চালের দাম সহনীয়। খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি কমেছে, খাদ্য-বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এটা বাস্তবতা, এজন্য সেদ্ধ চাল আমদানি করা হচ্ছে। বেসরকারি খাত চাল, গম আমদানি করে বিধায় দাম স্থিতিশীল আছে। সার্বিক ভাবে আমরা বলতে পারি খাদ্য পরিস্থিতিটা মোটামুটি সন্তোষজনক। আমরা যাওয়ার আগে মোটামুটি ভালো একটা পরিস্থিতি রেখে যেতে পারবো।

এসময় খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, আমরা আশা করছি যে, লক্ষ্যমাত্রার বেশি সংগ্রহ করতে পারবো। আমরা গত বছর বোরোতেও লক্ষ্যমাত্রার বেশি সংগ্রহ করতে পেরেছি। ফলে আমরা আশাবাদী যে এ বছরও বেশি সংগ্রহ করতে পারবো।

তিনি বলেন, ধান ও চালের দাম গত বছরের তুলনায় কেজিপ্রতি ৪ টাকা বেশি।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ বছর পর আবারও পর্দায় রজনীকান্ত ও নয়নতারা জুটি

28 October 2026

১৮ মাসের মধ্যেই চায়না ইকোনমিক জোনের প্রথম কারখানা চালু: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

সাত লাখ টন ধান-চাল কেনার সিদ্ধান্ত

হালনাগাদ সময় : ০৮:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

সরকার সাত লাখ টন ধান ও চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বছর আমন ধান সংগ্রহ করা হবে ৫০ হাজার মেট্রিক টন। সেদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হবে ৬ লাখ মেট্রিক টন এবং আতপ চাল সংগ্রহ করা হবে ৫০ হাজার মেট্রিক টন। আগামী ২০ নভেম্বর থেকে আমন সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার। প্রতি কেজি ধান ৩৯ টাকা, আতপ চাল ৪৯ টাকা এবং সেদ্ধ চাল ৫০ টাকা কেজি দরে সংগ্রহ করা হবে।

রবিবার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আগামী ২০ নভেম্বর থেকে সারা দেশে আমন মৌসুমের ধান-চাল কেনা শুরু করবে সরকার। এই সংগ্রহ অভিযান চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ধান যদি কৃষক বিক্রি করতে না পারে, তখন চাতালের লোকজন কম দামে নিয়ে যান। গত বছর ২৫ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছিল।

তিনি বলেন, আমাদের মূল্যস্ফীতি কমেছে। আমরা চেষ্টা করছি খাদ্যের প্যাকেজটা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে। এজন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে বছরে ৬ মাস ৫৫ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া হয়। টিসিবির ৮০ লাখ লোককে দেওয়া হয় এবং ওএসএস থেকে ৩০ টাকা দরে বছরে দুইবার চাল দেওয়া হয়। সর্বমোট ২ কোটির বেশি লোক এই সুবিধা পেয়ে থাকেন। এছাড়া জেলে পরিবারদের জন্য বিশেষ ভিজিএফ দেওয়া হয়। সেটা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। সেখানে সময় বাড়ানোর জন্য বলা হয়েছে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, চালের দাম সহনীয়। খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি কমেছে, খাদ্য-বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এটা বাস্তবতা, এজন্য সেদ্ধ চাল আমদানি করা হচ্ছে। বেসরকারি খাত চাল, গম আমদানি করে বিধায় দাম স্থিতিশীল আছে। সার্বিক ভাবে আমরা বলতে পারি খাদ্য পরিস্থিতিটা মোটামুটি সন্তোষজনক। আমরা যাওয়ার আগে মোটামুটি ভালো একটা পরিস্থিতি রেখে যেতে পারবো।

এসময় খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, আমরা আশা করছি যে, লক্ষ্যমাত্রার বেশি সংগ্রহ করতে পারবো। আমরা গত বছর বোরোতেও লক্ষ্যমাত্রার বেশি সংগ্রহ করতে পেরেছি। ফলে আমরা আশাবাদী যে এ বছরও বেশি সংগ্রহ করতে পারবো।

তিনি বলেন, ধান ও চালের দাম গত বছরের তুলনায় কেজিপ্রতি ৪ টাকা বেশি।

Share this news as a Photo Card