মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৪:০৯ অপরাহ্ন | ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

রমজানকে সামনে রেখে ভোজ্যতেল ও মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি, সবজি ও ডিমের দামে স্বস্তি

  • হালনাগাদ সময় : ১০:১৩:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে দেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ভোজ্যতেল ও মুরগির মাংসের দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেলেও, সবজি ও ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

ভোজ্যতেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার পেছনে মিল মালিকরা বিশ্ববাজারের প্রভাবের চেয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর কারসাজিকেই দায়ী করছেন। তারা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও কোম্পানিগুলো কমিশন কমিয়ে দিয়ে কৌশলে দাম বাড়িয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। কারওয়ান বাজারের একজন খুচরা ব্যবসায়ী জানান, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কোম্পানিগুলোর এই সিদ্ধান্তে ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে ডাল ও চিনির মতো রমজানে অধিক চাহিদাসম্পন্ন পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে, টি কে গ্রুপের একজন পরিচালক আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন ও পাম তেলের টনপ্রতি দাম ১৫০ ডলার পর্যন্ত বাড়লেও, এর প্রভাব এখনো বাজারে পড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সামনে রমজানেও বাজারে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।

দেশের বার্ষিক ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ২৫ লাখ টন। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধু পাম তেল আমদানি হয়েছে ২৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮৮৩ টন। এছাড়াও, সয়াবিনের বীজ আমদানি করে স্থানীয়ভাবে সয়াবিন উৎপাদনও হচ্ছে। সাধারণত রোজার মাসে প্রায় তিন লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকে, যা আমদানিকৃত পরিমাণের চেয়ে অনেক কম। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে প্রায় পৌনে চার লাখ টন ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে আরও প্রায় এক লাখ টন সয়াবিন তেল। এতো বিপুল পরিমাণ আমদানি সত্ত্বেও ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

তবে, বাজারে সব ধরনের সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমতির দিকে রয়েছে। একইভাবে, মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়লেও, ডিমের দাম ডজনে পাঁচ টাকা কমেছে। ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এবার রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় দাম বাড়ার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই অপতথ্য প্রতিরোধ সম্ভব: ডা. জাহেদ উর রহমান

29 October 2026

পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান: ৫০০ পিস ভারতীয় মাদক উদ্ধার

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

রমজানকে সামনে রেখে ভোজ্যতেল ও মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি, সবজি ও ডিমের দামে স্বস্তি

হালনাগাদ সময় : ১০:১৩:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে দেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ভোজ্যতেল ও মুরগির মাংসের দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেলেও, সবজি ও ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

ভোজ্যতেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার পেছনে মিল মালিকরা বিশ্ববাজারের প্রভাবের চেয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর কারসাজিকেই দায়ী করছেন। তারা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও কোম্পানিগুলো কমিশন কমিয়ে দিয়ে কৌশলে দাম বাড়িয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। কারওয়ান বাজারের একজন খুচরা ব্যবসায়ী জানান, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কোম্পানিগুলোর এই সিদ্ধান্তে ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে ডাল ও চিনির মতো রমজানে অধিক চাহিদাসম্পন্ন পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে, টি কে গ্রুপের একজন পরিচালক আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন ও পাম তেলের টনপ্রতি দাম ১৫০ ডলার পর্যন্ত বাড়লেও, এর প্রভাব এখনো বাজারে পড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সামনে রমজানেও বাজারে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।

দেশের বার্ষিক ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ২৫ লাখ টন। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধু পাম তেল আমদানি হয়েছে ২৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮৮৩ টন। এছাড়াও, সয়াবিনের বীজ আমদানি করে স্থানীয়ভাবে সয়াবিন উৎপাদনও হচ্ছে। সাধারণত রোজার মাসে প্রায় তিন লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকে, যা আমদানিকৃত পরিমাণের চেয়ে অনেক কম। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে প্রায় পৌনে চার লাখ টন ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে আরও প্রায় এক লাখ টন সয়াবিন তেল। এতো বিপুল পরিমাণ আমদানি সত্ত্বেও ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

তবে, বাজারে সব ধরনের সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমতির দিকে রয়েছে। একইভাবে, মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়লেও, ডিমের দাম ডজনে পাঁচ টাকা কমেছে। ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এবার রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় দাম বাড়ার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই।

Share this news as a Photo Card