মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের দ্রুত চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান। একই সঙ্গে ডাকাতির মামলা দ্রুত রেকর্ড করে অপরাধের রহস্য উদ্ঘাটন এবং ধর্ষণ মামলার তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব নির্দেশনা দেন তিনি। সভায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপাররা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। এছাড়া পুলিশ সদর দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
অতিরিক্ত আইজিপি মো. সায়েদুর রহমান বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের সদস্যদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মানবিক আচরণের নির্দেশ দেন।
ডাকাতির মামলা রেকর্ড করে দ্রুত অপরাধের রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের বিচারের আওতায় আনার নির্দেশনা দিয়ে অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, ধর্ষণ মামলার তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারক করতে হবে, যাতে সাজা নিশ্চিত করা যায়। সমাজে ইতিবাচক ভাবমূর্তির অধিকারী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর বিট ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করার নির্দেশনাও দেন তিনি। এছাড়া শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদে উদযাপিত হওয়ায় আইজিপির পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের ধন্যবাদ জানানো হয়।
সভায় বিগত মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ ও মুলতবি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ মামলার তদন্ত অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

























