মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০২:৩৯ পূর্বাহ্ন | ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বাণিজ্য আলোচনা চলাকালেই ভারতের ওপর নতুন শুল্কের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

  • হালনাগাদ সময় : ০৯:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ভারত থেকে চাল আমদানি এবং কানাডা থেকে সার আমদানির বিরুদ্ধে তিনি নতুন শুল্ক আরোপ করতে পারেন। কারণ দুই দেশের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য আলোচনায় কোনও বড় অগ্রগতি হয়নি। সোমবার (৮ নভেম্বর) হোয়াইট হাউজে এক বৈঠকে তিনি আমেরিকান কৃষকদের জন্য বহু-বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেন এবং একইসঙ্গে ভারতসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে কৃষিপণ্যের আমদানিকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

ট্রাম্প দাবি করেন, বিদেশি আমদানি মার্কিন কৃষকদের ক্ষতি করছে এবং তিনি ‘আক্রমণাত্মকভাবে শুল্ক প্রয়োগ’ করে স্থানীয় উৎপাদকদের সুরক্ষার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, প্রশাসন আমেরিকান কৃষকদের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক সহায়তা দেবে— যা শুল্ক থেকে সংগৃহীত রাজস্ব থেকেই আসবে।

ট্রাম্প বলেন, আমরা সত্যিই ট্রিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করছি, ভাবলে অবিশ্বাস্য লাগে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশগুলো আমাদের এমনভাবে সুযোগ নিয়েছে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি।

তিনি সহায়তা প্যাকেজকে কৃষি অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার জন্য অপরিহার্য বলে ব্যাখ্যা করেন। ট্রাম্পের ভাষায়, কৃষকেরা আমাদের জাতীয় সম্পদ, আমেরিকার মেরুদণ্ডের অংশ এবং শুল্কই হচ্ছে মার্কিন কৃষিকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রধান কৌশল।

ভারতের বিরুদ্ধে বাজার দখলের জন্য খুব কম দামে চাল রপ্তানি করার বা ‘রাইস ডাম্পিং-এর অভিযোগ আনেন ট্রাম্প। একে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় কৃষকদের জন্য ‘ধ্বংসাত্মক’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচনায় বলা হয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে খুচরা চাল বিক্রিতে ভারতীয় কোম্পানিগুলো ‘সবচেয়ে বড় দুইটি ব্র্যান্ডের’ মালিক।

ট্রাম্প জানান, স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে কানাডা থেকে সার আমদানির ওপরও ‘কঠোর শুল্ক’ আরোপ করা হতে পারে।

গত এক দশকে ভারত–যুক্তরাষ্ট্র কৃষি বাণিজ্য দ্রুত বিস্তৃত হয়েছে। ভারত যুক্তরাষ্ট্রে বাসমতি, নন-বাসমতি চাল, মসলা ও সামুদ্রিক পণ্য রপ্তানি করে; বিপরীতে আমেরিকা থেকে বাদাম, তুলা, ডাল ইত্যাদি আমদানি করে।

ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্য-বিশেষ করে ভারতকে লক্ষ্য করে ‘রাইস ডাম্পিং’-এর অভিযোগ— আগামীতে বাণিজ্য আলোচনার উত্তাপ আরও বাড়াতে পারে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

অদিতি রাও হায়দারির জন্মদিনে সিদ্ধার্থ বললেন ‘আমি তোমার সবচেয়ে বড় ভক্ত’

29 October 2026

মহেশপুর সীমান্তে ৩ ভারতীয়সহ ৯ জন আটক: বিজিবি

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বাণিজ্য আলোচনা চলাকালেই ভারতের ওপর নতুন শুল্কের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

হালনাগাদ সময় : ০৯:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ভারত থেকে চাল আমদানি এবং কানাডা থেকে সার আমদানির বিরুদ্ধে তিনি নতুন শুল্ক আরোপ করতে পারেন। কারণ দুই দেশের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য আলোচনায় কোনও বড় অগ্রগতি হয়নি। সোমবার (৮ নভেম্বর) হোয়াইট হাউজে এক বৈঠকে তিনি আমেরিকান কৃষকদের জন্য বহু-বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেন এবং একইসঙ্গে ভারতসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে কৃষিপণ্যের আমদানিকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

ট্রাম্প দাবি করেন, বিদেশি আমদানি মার্কিন কৃষকদের ক্ষতি করছে এবং তিনি ‘আক্রমণাত্মকভাবে শুল্ক প্রয়োগ’ করে স্থানীয় উৎপাদকদের সুরক্ষার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, প্রশাসন আমেরিকান কৃষকদের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক সহায়তা দেবে— যা শুল্ক থেকে সংগৃহীত রাজস্ব থেকেই আসবে।

ট্রাম্প বলেন, আমরা সত্যিই ট্রিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করছি, ভাবলে অবিশ্বাস্য লাগে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশগুলো আমাদের এমনভাবে সুযোগ নিয়েছে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি।

তিনি সহায়তা প্যাকেজকে কৃষি অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার জন্য অপরিহার্য বলে ব্যাখ্যা করেন। ট্রাম্পের ভাষায়, কৃষকেরা আমাদের জাতীয় সম্পদ, আমেরিকার মেরুদণ্ডের অংশ এবং শুল্কই হচ্ছে মার্কিন কৃষিকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রধান কৌশল।

ভারতের বিরুদ্ধে বাজার দখলের জন্য খুব কম দামে চাল রপ্তানি করার বা ‘রাইস ডাম্পিং-এর অভিযোগ আনেন ট্রাম্প। একে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় কৃষকদের জন্য ‘ধ্বংসাত্মক’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচনায় বলা হয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে খুচরা চাল বিক্রিতে ভারতীয় কোম্পানিগুলো ‘সবচেয়ে বড় দুইটি ব্র্যান্ডের’ মালিক।

ট্রাম্প জানান, স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে কানাডা থেকে সার আমদানির ওপরও ‘কঠোর শুল্ক’ আরোপ করা হতে পারে।

গত এক দশকে ভারত–যুক্তরাষ্ট্র কৃষি বাণিজ্য দ্রুত বিস্তৃত হয়েছে। ভারত যুক্তরাষ্ট্রে বাসমতি, নন-বাসমতি চাল, মসলা ও সামুদ্রিক পণ্য রপ্তানি করে; বিপরীতে আমেরিকা থেকে বাদাম, তুলা, ডাল ইত্যাদি আমদানি করে।

ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্য-বিশেষ করে ভারতকে লক্ষ্য করে ‘রাইস ডাম্পিং’-এর অভিযোগ— আগামীতে বাণিজ্য আলোচনার উত্তাপ আরও বাড়াতে পারে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

Share this news as a Photo Card