মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৫:১৩ পূর্বাহ্ন | ৩১শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শনিবার, ১৫ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন: রাষ্ট্রদূত

  • হালনাগাদ সময় : ০২:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে পর্যটন সহযোগিতা সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পাদিলা কইনলেট। দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং টেকসই পর্যটন উন্নয়নের ওপর জোর দেন তিনি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, পর্যটন দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদার করার এক অসামান্য সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণেও বিশেষ ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পর্যটনের মাধ্যমে একটি দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, রন্ধনশৈলী ও ইতিহাসকে খুব কাছ থেকে জানার সুযোগ তৈরি হয়। টেকসই পর্যটনচর্চা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ ও ঐতিহ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের ক্ষমতার দ্বন্দ্বে মুখোমুখি কীর্তি ও রাধিকা, ওটিটিতে ঝড় তুলেছে ‘আক্কা’

30 October 2026

তিন আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশের সিনেমা 'মাস্টার'

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন: রাষ্ট্রদূত

হালনাগাদ সময় : ০২:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে পর্যটন সহযোগিতা সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পাদিলা কইনলেট। দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং টেকসই পর্যটন উন্নয়নের ওপর জোর দেন তিনি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, পর্যটন দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদার করার এক অসামান্য সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণেও বিশেষ ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পর্যটনের মাধ্যমে একটি দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, রন্ধনশৈলী ও ইতিহাসকে খুব কাছ থেকে জানার সুযোগ তৈরি হয়। টেকসই পর্যটনচর্চা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ ও ঐতিহ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Share this news as a Photo Card