মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০২:২১ অপরাহ্ন | ২৬শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | সোমবার, ১০ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাহাড়-বনের মাঝে পর্যটনের নতুন ঠিকানা শেরপুরের “গজনী অবকাশ কেন্দ্র”

  • হালনাগাদ সময় : ০১:১৮:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরে ভারতের মেঘালয় সীমান্তবর্তী গজনী অবকাশ কেন্দ্র প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি হিসেবে পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে। পাহাড়, বন, ঝিরি, লেক ও বিভিন্ন টিলার সমন্বয়ে কেন্দ্রটি পর্যটকদের জন্য বিশেষ প্রলোভন তৈরি করেছে। ১৯৯৩ সালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২৭০ বিঘা জমিতে গড়ে ওঠা এই কেন্দ্র প্রতি বছর শীত মৌসুমে হাজার হাজার পর্যটককে আকর্ষণ করে।

পর্যটনকেন্দ্রে রয়েছে সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে, লেকের নৌকা ভ্রমণ, সেলফি ব্রিজ, মুক্তমঞ্চ, পদ্মব্রিজ, শিশু পার্ক, ক্যান্টিন ও কফি হাউস। এছাড়া কৃত্রিম ভাস্কর্য ও স্থাপনা যেমন জলপরী, ডাইনোসর, ক্রিসেন্ট লেক, রংধনু ব্রিজ, সাইট ভিউ টাওয়ার দর্শকদের জন্য আকর্ষণীয়। নতুনভাবে সংযোজিত ক্যাবল কার, জিপলাইনিং, ওয়াটার কিংডম ও প্যারাট্রবা পর্যটকদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।

নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও জেলা ব্র্যান্ডিং কেন্দ্রের মাধ্যমে পর্যটকরা তুলশীমালা চাল, স্থানীয় হস্তশিল্প, পোশাক ও গহনা কিনতে পারছেন। বর্তমানে সরকারি হোটেল-মোটেল নেই, তাই পর্যটকদের রাতযাপনের জন্য শেরপুর শহরে থাকতে হচ্ছে।

পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করতে জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে ‘রাইড নিরাপত্তা মনিটরিং কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। ৪২টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও টহল পুলিশ বাড়ানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন পর্যটন উন্নয়নের জন্য নিয়মিত পরিদর্শন করছেন এবং রাতযাপনের সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

26 October 2026

বিরোধী দলে থাকতেই দাফনে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবে জামায়াত: প্রশ্ন তাসনিম জারার

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

পাহাড়-বনের মাঝে পর্যটনের নতুন ঠিকানা শেরপুরের “গজনী অবকাশ কেন্দ্র”

হালনাগাদ সময় : ০১:১৮:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

শেরপুরে ভারতের মেঘালয় সীমান্তবর্তী গজনী অবকাশ কেন্দ্র প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি হিসেবে পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে। পাহাড়, বন, ঝিরি, লেক ও বিভিন্ন টিলার সমন্বয়ে কেন্দ্রটি পর্যটকদের জন্য বিশেষ প্রলোভন তৈরি করেছে। ১৯৯৩ সালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২৭০ বিঘা জমিতে গড়ে ওঠা এই কেন্দ্র প্রতি বছর শীত মৌসুমে হাজার হাজার পর্যটককে আকর্ষণ করে।

পর্যটনকেন্দ্রে রয়েছে সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে, লেকের নৌকা ভ্রমণ, সেলফি ব্রিজ, মুক্তমঞ্চ, পদ্মব্রিজ, শিশু পার্ক, ক্যান্টিন ও কফি হাউস। এছাড়া কৃত্রিম ভাস্কর্য ও স্থাপনা যেমন জলপরী, ডাইনোসর, ক্রিসেন্ট লেক, রংধনু ব্রিজ, সাইট ভিউ টাওয়ার দর্শকদের জন্য আকর্ষণীয়। নতুনভাবে সংযোজিত ক্যাবল কার, জিপলাইনিং, ওয়াটার কিংডম ও প্যারাট্রবা পর্যটকদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।

নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও জেলা ব্র্যান্ডিং কেন্দ্রের মাধ্যমে পর্যটকরা তুলশীমালা চাল, স্থানীয় হস্তশিল্প, পোশাক ও গহনা কিনতে পারছেন। বর্তমানে সরকারি হোটেল-মোটেল নেই, তাই পর্যটকদের রাতযাপনের জন্য শেরপুর শহরে থাকতে হচ্ছে।

পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করতে জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে ‘রাইড নিরাপত্তা মনিটরিং কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। ৪২টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও টহল পুলিশ বাড়ানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন পর্যটন উন্নয়নের জন্য নিয়মিত পরিদর্শন করছেন এবং রাতযাপনের সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Share this news as a Photo Card