মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৮:০৮ অপরাহ্ন | ২৭শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১১ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কোনো উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নয়: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

  • হালনাগাদ সময় : ০৬:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য কোনো উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি নয় বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। বৃক্ষরোপণকে শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ঈদগাহ প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক দিনে এক লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। सरकारों অগ্রাধিকার কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

উপদেষ্টা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচিতে বৃক্ষরোপণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়া হয়। এটি শুধু কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো কর্মসূচি নয়। দেশে ইতোমধ্যে সামাজিকভাবে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ ও কাঠামো বিদ্যমান রয়েছে। সেই ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে বৃক্ষরোপণকে ব্যাপক সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি শুধু কাগজে-কলমে কোনো পরিকল্পনা নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় থেকেই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে কী করণীয় এবং কোন ক্ষেত্রে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে পরিকল্পনা, গবেষণা ও কাজ চলেছে। এরই একটি অংশ নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর সরকার গঠনের সুযোগ পেলে জনগণের জন্য কী কী করা হবে, সে বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ও পরিকল্পনা নির্ধারণ করেই নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছেন।

প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সরকার কৃষকদের জন্য ফার্মার্স কার্ড, পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, বিদেশে কর্মসংস্থান, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ ও ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান প্ল্যান্ট’সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, গত জুলাই পর্যন্ত নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২ কোটি ৬৩ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৬টি গাছ রোপণ করা হয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিচ্ছিন্ন উদ্যোগগুলো যথাযথভাবে হিসাবের আওতায় আনা গেলে অর্জনের পরিমাণ আরও বেশি হবে।

চট্টগ্রামের পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, পাহাড়, সমতল ও সমুদ্রবেষ্টিত চট্টগ্রাম একটি অনন্য ভূ-প্রাকৃতিক এলাকা, তাই এখানকার পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ আরও জোরদার করতে হবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দ্য আর্ট অব ডুইং নাথিং’: ব্যস্ত জীবনে একটু জিরিয়ে নেওয়ার শিল্প

27 October 2026

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি দুই হাজার ৭১

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কোনো উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নয়: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

হালনাগাদ সময় : ০৬:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য কোনো উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি নয় বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। বৃক্ষরোপণকে শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ঈদগাহ প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক দিনে এক লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। सरकारों অগ্রাধিকার কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

উপদেষ্টা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচিতে বৃক্ষরোপণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়া হয়। এটি শুধু কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো কর্মসূচি নয়। দেশে ইতোমধ্যে সামাজিকভাবে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ ও কাঠামো বিদ্যমান রয়েছে। সেই ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে বৃক্ষরোপণকে ব্যাপক সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি শুধু কাগজে-কলমে কোনো পরিকল্পনা নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় থেকেই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে কী করণীয় এবং কোন ক্ষেত্রে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে পরিকল্পনা, গবেষণা ও কাজ চলেছে। এরই একটি অংশ নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর সরকার গঠনের সুযোগ পেলে জনগণের জন্য কী কী করা হবে, সে বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ও পরিকল্পনা নির্ধারণ করেই নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছেন।

প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সরকার কৃষকদের জন্য ফার্মার্স কার্ড, পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, বিদেশে কর্মসংস্থান, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ ও ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান প্ল্যান্ট’সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, গত জুলাই পর্যন্ত নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২ কোটি ৬৩ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৬টি গাছ রোপণ করা হয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিচ্ছিন্ন উদ্যোগগুলো যথাযথভাবে হিসাবের আওতায় আনা গেলে অর্জনের পরিমাণ আরও বেশি হবে।

চট্টগ্রামের পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, পাহাড়, সমতল ও সমুদ্রবেষ্টিত চট্টগ্রাম একটি অনন্য ভূ-প্রাকৃতিক এলাকা, তাই এখানকার পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ আরও জোরদার করতে হবে।

Share this news as a Photo Card