মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১১:১৩ পূর্বাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

কুলাউড়ায় ভেঙে যাওয়া সেতু সংস্কার না হওয়ায় ৩০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে

  • হালনাগাদ সময় : ০৯:৩৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ফানাই নদীর ওপর নির্মিত পাকা সেতুটি বন্যার পানির স্রোতে ভেঙে যাওয়ার দীর্ঘ সময় পার হলেও নতুন সেতু নির্মিত হয়নি। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অন্তত ৩০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। গত কয়েক বছর ধরে স্থানীয়দের নিজ অর্থায়নে তৈরি করা নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোটিই বর্তমানে পারাপারের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক দশক আগে নির্মিত পালগ্রাম-মুকুন্দপুর সড়কের পাকা সেতুটি বন্যার তোভে ভেসে যাওয়ার পর থেকেই পালগ্রাম, বাগাজুরা, একিদত্তপুর, কবিরাজি, মিনারমহল, প্রতাবীসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। এই রুটের কয়েকটি ঘনবসতিপূর্ণ গ্রামের শতাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগামী শিক্ষার্থী প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হচ্ছে। পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বাড়লে সাঁকোটি তলিয়ে যাওয়ায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যোগাযোগ।

যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়ায় বন্ধ রয়েছে সব ধরনের যানবাহন চলাচল। এর ফলে এলাকার কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের পাশাপাশি জরুরি রোগী বহন এবং বিয়ে কিংবা অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বাধ্য হয়ে তাদেরকে এখন বহুদূর ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা জনদুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তার মধ্যেই আশাশুনিতে খোলপেটুয়া নদীর বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন

28 October 2026

টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক: ঢাকায় কার্যালয় খোলার আহ্বান

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

কুলাউড়ায় ভেঙে যাওয়া সেতু সংস্কার না হওয়ায় ৩০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে

হালনাগাদ সময় : ০৯:৩৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ফানাই নদীর ওপর নির্মিত পাকা সেতুটি বন্যার পানির স্রোতে ভেঙে যাওয়ার দীর্ঘ সময় পার হলেও নতুন সেতু নির্মিত হয়নি। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অন্তত ৩০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। গত কয়েক বছর ধরে স্থানীয়দের নিজ অর্থায়নে তৈরি করা নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোটিই বর্তমানে পারাপারের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক দশক আগে নির্মিত পালগ্রাম-মুকুন্দপুর সড়কের পাকা সেতুটি বন্যার তোভে ভেসে যাওয়ার পর থেকেই পালগ্রাম, বাগাজুরা, একিদত্তপুর, কবিরাজি, মিনারমহল, প্রতাবীসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। এই রুটের কয়েকটি ঘনবসতিপূর্ণ গ্রামের শতাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগামী শিক্ষার্থী প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হচ্ছে। পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বাড়লে সাঁকোটি তলিয়ে যাওয়ায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যোগাযোগ।

যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়ায় বন্ধ রয়েছে সব ধরনের যানবাহন চলাচল। এর ফলে এলাকার কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের পাশাপাশি জরুরি রোগী বহন এবং বিয়ে কিংবা অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বাধ্য হয়ে তাদেরকে এখন বহুদূর ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা জনদুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

Share this news as a Photo Card