ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

ঈদগাঁও থেকে অপহৃতা তরুণীসহ লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

তরুণীকে অপহরণ পরবর্তী ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুণ্ঠনের ঘটনায় জড়িত তিনজনকে অবশেষে ভিকটিমসহ উদ্ধার করেছে ঈদগাঁও পুলিশ।

উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের একাধিক স্থান ও কক্সবাজার সদরের শহরতলীর মেরিন ড্রাইভ সড়কের এক ভাড়া বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার ও জড়িতদের শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে আটক করা হয়।

ধৃত আসামিরা হলো কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বদিউর রহমানের ছেলে আতিক উল্লাহ (২১), ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের বটতলী পাড়ার ছব্বির আহমদের ছেলে ছৈয়দুল করিম (২২), একই ইউনিয়নের খোনখার খিলের আইয়ুবুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ মোতাহের হোসেন (২১)।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা এসআই আশরাফ হোসেন জানান, ঘটনা পরবর্তী ভিকটিমের মায়ের করা জিডির ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার ভিকটিম ও জড়িতদের একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার ও জড়িতদের আটক করা হয়।

পরে তাদের স্বীকারোক্তি মতে লুন্ঠিত স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার পরবর্তী ভিকটিমের মা রোকিয়া বেগমের করা এজাহারের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদার জানান,​ গ্রেপ্তার আসামিদের আজ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

প্রসঙ্গত মামলার এজাহার মতে গত ৩ মার্চ সকাল ১১টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড পূর্ব মোহনভিলা এলাকার জিয়াউর রহমানের কন্যা সোহাইমা জন্নাত(১৬)কে নিজ বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে।

পরে তাকে কক্সবাজার সদর থানাধীন মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে ৩ মার্চ রাত থেকে ৬ মার্চ সকাল পর্যন্ত একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিমের কাছ থেকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়া তিন ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার হয়।

তবে স্থানীয়দের দাবি, উক্ত তরুণীর সঙ্গে আটক প্রথম জনের প্রেমের সম্পর্কের জেরেই গত ৩ মার্চ ধৃত অপর দুজনের সহযোগিতায় প্রেমিক-প্রেমিকা অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদগাঁও থেকে অপহৃতা তরুণীসহ লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

আপডেট সময় : ১১:১৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

তরুণীকে অপহরণ পরবর্তী ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুণ্ঠনের ঘটনায় জড়িত তিনজনকে অবশেষে ভিকটিমসহ উদ্ধার করেছে ঈদগাঁও পুলিশ।

উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের একাধিক স্থান ও কক্সবাজার সদরের শহরতলীর মেরিন ড্রাইভ সড়কের এক ভাড়া বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার ও জড়িতদের শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে আটক করা হয়।

ধৃত আসামিরা হলো কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বদিউর রহমানের ছেলে আতিক উল্লাহ (২১), ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের বটতলী পাড়ার ছব্বির আহমদের ছেলে ছৈয়দুল করিম (২২), একই ইউনিয়নের খোনখার খিলের আইয়ুবুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ মোতাহের হোসেন (২১)।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা এসআই আশরাফ হোসেন জানান, ঘটনা পরবর্তী ভিকটিমের মায়ের করা জিডির ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার ভিকটিম ও জড়িতদের একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার ও জড়িতদের আটক করা হয়।

পরে তাদের স্বীকারোক্তি মতে লুন্ঠিত স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার পরবর্তী ভিকটিমের মা রোকিয়া বেগমের করা এজাহারের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদার জানান,​ গ্রেপ্তার আসামিদের আজ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

প্রসঙ্গত মামলার এজাহার মতে গত ৩ মার্চ সকাল ১১টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড পূর্ব মোহনভিলা এলাকার জিয়াউর রহমানের কন্যা সোহাইমা জন্নাত(১৬)কে নিজ বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে।

পরে তাকে কক্সবাজার সদর থানাধীন মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে ৩ মার্চ রাত থেকে ৬ মার্চ সকাল পর্যন্ত একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিমের কাছ থেকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়া তিন ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার হয়।

তবে স্থানীয়দের দাবি, উক্ত তরুণীর সঙ্গে আটক প্রথম জনের প্রেমের সম্পর্কের জেরেই গত ৩ মার্চ ধৃত অপর দুজনের সহযোগিতায় প্রেমিক-প্রেমিকা অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়।