আগামী জুন-জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে বসছে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ সালের আসর। এশিয়া অঞ্চল থেকে বাছাইপর্ব পেরিয়ে মূলপর্ব নিশ্চিত করেছে ইরান। সূচি অনুযায়ী তাদের গ্রুপপর্বের ম্যাচ পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস ও সিয়াটলে। তবে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনায় ম্যাচ দিয়ে জেগেছে শঙ্কা।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয় অবস্থান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম Politico-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান অংশ নিল কি না—তা তিনি মোটেও পরোয়া করেন না। তার ভাষ্য, ইরান ‘খুব বাজেভাবে পরাজিত দেশ’ এবং তারা ‘ধোঁয়ায় উড়ছে’।
আয়োজক দেশের প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য অবশ্য বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার ঘোষিত অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফিফা আগেই জানিয়েছিল, অংশগ্রহণকারী সব দেশ, খেলোয়াড়, স্টাফ ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং সবাইকে স্বাগত জানানো হবে।
পরে ব্রিটিশ ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিক হোয়াইট হাউজের কাছে ট্রাম্পের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চায়। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের পরিচালক অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি বলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে আসতে যাওয়া মিলিয়ন মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেকোনো অস্থিতিশীল হুমকি দূর করা হবে।
একই বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানতে ইরানিয়ান ফুটবল ফেডারেশনকে ইমেইল করে দ্য অ্যাথলেটিক, তবে কোনো জবাব মেলেনি। এর আগে ফেডারেশনের সভাপতি মেহদী তাজ বিশ্বকাপ নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে বলেছিলেন, পরিস্থিতি তাদের প্রত্যাশার বাইরে এবং এ বিষয়ে দেশের ক্রীড়া বিভাগ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
হামলার আগে ফিফার সাধারণ সম্পাদক মাতিয়াস গ্রাফস্টর্ম জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া সবার নিরাপত্তাই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার। হামলার পরও ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে ফিফার অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে সংস্থাটির এক মুখপাত্র দ্য অ্যাথলেটিককে নিশ্চিত করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























