ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

ভোটের দায়িত্ব: অব্যাহতি চান অনেকে, অন্তর্ভুক্তির তদবিরও চলছে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের খসড়া তালিকা প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই তালিকা প্রকাশের পর থেকেই সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিচিত্র ও বিপরীতমুখী পরিস্থিতি। একদিকে ব্যক্তিগত ও পারিপার্শ্বিক নানা কারণ দেখিয়ে তালিকা থেকে অব্যাহতি চাইছেন বহু কর্মকর্তা, অন্যদিকে যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও নাম না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অন্তর্ভুক্তির জন্য জোর তদবির চালাচ্ছেন অনেকে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে কয়েক লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রয়োজন হবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংকসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি খসড়া প্যানেল তৈরি করা হয়েছে। এই প্যানেল প্রকাশের পরপরই নির্বাচন কমিশনে জমা পড়ছে শত শত অব্যাহতির আবেদন। আবেদনকারীদের অনেকেই পারিবারিক সমস্যা, অসুস্থতা বা কর্মস্থলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মতো বিষয়গুলো উল্লেখ করে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করছেন।

একই সময়ে, যারা খসড়া তালিকায় স্থান পাননি, তাদের মধ্যে অনেক যোগ্য কর্মকর্তা নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিভিন্ন মহলে তদবির শুরু করেছেন। তাদের অভিযোগ, যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তাদের নাম বাদ পড়েছে, যা কোনো কোনো ক্ষেত্রে পক্ষপাতমূলক। এই দ্বিমুখী চাপের মুখে নির্বাচন কমিশনকে এখন চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নের কাজটি বেশ সতর্কতার সাথে করতে হচ্ছে। নাম বাদ দেওয়া ও নতুন করে অন্তর্ভুক্তির পর চূড়ান্ত প্যানেলভুক্ত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের জন্য আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে সাংবিধানিক সংস্থা ইসি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মে দিবসে থিয়েটার পাড়ায় উৎসব: আরণ্যক ও বটতলার বিশেষ আয়োজন

ভোটের দায়িত্ব: অব্যাহতি চান অনেকে, অন্তর্ভুক্তির তদবিরও চলছে

আপডেট সময় : ১১:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের খসড়া তালিকা প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই তালিকা প্রকাশের পর থেকেই সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিচিত্র ও বিপরীতমুখী পরিস্থিতি। একদিকে ব্যক্তিগত ও পারিপার্শ্বিক নানা কারণ দেখিয়ে তালিকা থেকে অব্যাহতি চাইছেন বহু কর্মকর্তা, অন্যদিকে যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও নাম না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অন্তর্ভুক্তির জন্য জোর তদবির চালাচ্ছেন অনেকে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে কয়েক লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রয়োজন হবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংকসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি খসড়া প্যানেল তৈরি করা হয়েছে। এই প্যানেল প্রকাশের পরপরই নির্বাচন কমিশনে জমা পড়ছে শত শত অব্যাহতির আবেদন। আবেদনকারীদের অনেকেই পারিবারিক সমস্যা, অসুস্থতা বা কর্মস্থলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মতো বিষয়গুলো উল্লেখ করে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করছেন।

একই সময়ে, যারা খসড়া তালিকায় স্থান পাননি, তাদের মধ্যে অনেক যোগ্য কর্মকর্তা নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিভিন্ন মহলে তদবির শুরু করেছেন। তাদের অভিযোগ, যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তাদের নাম বাদ পড়েছে, যা কোনো কোনো ক্ষেত্রে পক্ষপাতমূলক। এই দ্বিমুখী চাপের মুখে নির্বাচন কমিশনকে এখন চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নের কাজটি বেশ সতর্কতার সাথে করতে হচ্ছে। নাম বাদ দেওয়া ও নতুন করে অন্তর্ভুক্তির পর চূড়ান্ত প্যানেলভুক্ত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের জন্য আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে সাংবিধানিক সংস্থা ইসি।