সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘকালীন চিকিৎসার প্রকৃত তথ্য জনসমক্ষে আনা এবং সংশ্লিষ্ট সকল নথিপত্র দ্রুততম সময়ের মধ্যে জব্দের দাবি উঠেছে। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন থাকাকালীন সময়ের মেডিকেল রিপোর্ট ও নথিপত্রগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কারাবন্দি অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া যখন বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন, সেই সময়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট এবং চিকিৎসকদের দেওয়া ব্যবস্থাপত্রগুলো নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন ও সংশয় রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, তৎকালীন সময়ে তার প্রকৃত শারীরিক অবস্থা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে অথবা সঠিক তথ্য গোপন করা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে, বেগম জিয়ার চিকিৎসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল নথিপত্র এবং মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশসমূহ অবিলম্বে আদালতের হেফাজতে বা নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জব্দের দাবি জানানো হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নথিগুলো সংরক্ষিত থাকলে ভবিষ্যতে তার সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা সহজ হবে এবং অতীতে কোনো চিকিৎসা সংক্রান্ত অবহেলা বা তথ্য বিকৃতি হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তার পরিবারের সদস্য ও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করা হচ্ছে যে, অতীতে কারাগারে থাকাকালীন তিনি প্রয়োজনীয় ও উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, যা তার বর্তমান শারীরিক সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ। এই পরিস্থিতিতে সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণের স্বার্থেই চিকিৎসার সকল ডকুমেন্ট জব্দ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 















