সাম্প্রতিক একটি আলোচিত মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়ে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য দিয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত। রিমান্ডে থাকা অবস্থায় দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম এবং বিশাল অংকের অর্থ লেনদেনের নতুন নতুন সূত্র পাওয়া গেছে। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দাবি, আসামির দেওয়া এসব তথ্য মামলার তদন্তে এক নতুন মোড় তৈরি করেছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছুটা অসহযোগিতা করলেও পরবর্তীতে অকাট্য প্রমাণের মুখে মুখ খুলতে শুরু করেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, এই অপরাধমূলক কার্যক্রমটি দীর্ঘ সময় ধরে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল। বিশেষ করে অবৈধ অর্থ লেনদেন এবং নথিপত্র জালিয়াতির ক্ষেত্রে তারা বেশ কিছু ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করত। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি এই চক্রের সঙ্গে জড়িত আরও বেশ কয়েকজন নেপথ্য কুশীলবের নাম প্রকাশ করেছেন, যারা পর্দার আড়াল থেকে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এই অপকর্মে মদদ দিয়ে আসছিলেন।
ডিবির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আসামির দেওয়া তথ্যগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অভিযুক্তের ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইস ও ল্যাপটপ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং গোপন বার্তার হদিস পাওয়া গেছে, যা এই অপরাধের অকাট্য প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই চক্রের অন্য সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে রাজধানীর একটি বিশেষ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়। এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেওয়া হবে বলে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 















