চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও হতাশার হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে স্বাগতিকরা পরাজিত হয়েছে ২-১ গোলে। তাতে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে কোচ জাবি আলোনসোর ওপর চাপ আরও বাড়লো।
প্রথমার্ধের শেষ ১০ মিনিটে আসে দুটি গোল। রদ্রিগোর ২৮ মিনিটের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্ত প্রতিআক্রমণে ম্যাচে ফেরে সিটি। পেনাল্টি থেকে হাল্যান্ডের সমতা ফেরানো গোলই হয়ে ওঠে টার্নিং পয়েন্ট।
মাদ্রিদ একাধিক সুযোগ পেয়েও গোলের দেখা পায়নি। চোটের কারণে বেঞ্চে বসে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পের অভাব স্পষ্টই বোঝা গেছে।
শনিবার সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে হতাশাজনক হারের পর এই ম্যাচটি আলোনসোর দলের টানা দ্বিতীয় হার। যা তার চাকরি নিয়ে শঙ্কা বাড়িয়েছে।
প্রায় ছয় বছরের মধ্যে এটি ছিল দুই দলের ১১তম সাক্ষাৎ। চেনা প্রতিপক্ষ হলেও তীব্রতা বা লড়াইয়ের ধার কমেনি।
ম্যাচের শুরুতেই রিয়ালের পেনাল্টি পাওয়া নিয়ে নাটকীয় পরিস্থিতির তৈরি হয়। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ওপর নুনেসের ফাউলে রেফারি পেনাল্টি দেন। কিন্তু ভিএআরে দেখা যায় ফাউল বক্সের বাইরে। পরবর্তী ফ্রি-কিকে ভালভার্দের শট দিক পরিবর্তিত হয়ে চলে যায় বাইরে।
দ্রুতগতির খেলায় একের পর এক আক্রমণে ভিনিসিয়ুস আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ হারান। এর ঠিক পরেই দারুণ এক পাল্টা আক্রমণে এগিয়ে যায় রিয়াল। মাঝমাঠে বল পেয়ে শুরু হওয়া আক্রমণে বেলিংহ্যাম ডানদিকে রদ্রিগোকে পাস বাড়ান। ব্রাজিলিয়ান তার ট্রেডমার্ক শটে দোন্নারুম্মাকে পরাস্ত করেন।
খেলায় সিটি অবশ্য নিষ্ক্রিয় ছিল না। নিজেরাও বেশ কয়েকটি সুন্দর আক্রমণ সাজালেও গোল পাওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত সেট পিস থেকেই সমতা ফেরায় তারা। কর্নার থেকে গাভার্দিওলের হেড ঠেকালেও বল ধরে রাখতে ব্যর্থ হন কোর্তুয়া। রিবাউন্ডে ও’রাইলি কাছ থেকে জাল কাঁপাতে কোনও ভুল করেননি।
এর পর রুদিগার হাল্যান্ডকে টেনে ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় সিটি। দীর্ঘ ভিএআর পর্যালোচনার পর স্পট-কিক নিশ্চিত হলে হাল্যান্ড নিখুঁতভাবে জাল কাঁপিয়েছেন।
বিরতির আগে তৃতীয় গোলও পেতে পারতো সিটি। হাল্যান্ড ও শেরকির দুটি শট ঠেকিয়ে দেন কোর্তুয়া।
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পিএসজি অবশ্য অ্যাথলেতিক ক্লাবের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। কোনও ভাবেই ফরাসি জায়ান্টরা প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। তার পরেও অবশ্য ভালো অবস্থানেই রয়েছে তারা। লুইস এনরিকের দল টেবিলের তৃতীয় স্থানে আছে। অন্যদিকে ২৮তম স্থানে থাকা অ্যাথলেতিক ক্লাব বাদ পড়ার শঙ্কায়।
অপর দিকে আর্সেনাল ননি ম্যাডুয়েকের জোড়া গোলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শতভাগ জয়ের ধারা ধরে রেখেছে। ক্লাব ব্রুগাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে নকআউট প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে।
শনিবার অ্যাস্টন ভিলার কাছে হারের পর দলটিতে পাঁচটি পরিবর্তন আনেন মিকেল আর্তেতা। সেই পরিবর্তিত একাদশেরই এক সদস্য ননি ম্যাডুয়েকে জোড়া গোল করেছেন। তৃতীয় গোলটি করেন মার্টিনেলি।
রিপোর্টারের নাম 














