একের পর এক স্পন্সর পাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এবার তাদের সঙ্গে ডেভেলপমেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম)। বাফুফে ভবনে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুই পক্ষের মধ্যে ১০ বছরের চুক্তি সই হয়েছে।
তবে চুক্তির আর্থিক অঙ্কের বিষয় কোনও পক্ষ বলেনি। এ চুক্তির আওতায় বাফুফের কোচেস ট্রেনিং প্রোগ্রাম, টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম, এলিট অ্যাকাডেমিসহ দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে বলে জানিয়েছে বিএসআরএম কর্তৃপক্ষ।
এই দশ বছরের চুক্তির মধ্যে থাকছে দুটি ধাপ। প্রথম পাঁচ বছরের এক ধরনের আর্থিক সুবিধা বিএসআরএম দেবে বাফুফেকে। এই পর্বের কার্যক্রম মূল্যায়নের পর পরবর্তী পাঁচ বছরের আর্থিক অঙ্ক নির্ধারিত হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম।
চুক্তির পর বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেছেন, ‘আপনারা জানেন, বিএসআরএম অনেক দিন ধরে বাংলাদেশে একটা প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান। তারা শুধু ব্যাবসার সঙ্গে জড়িত নয়, সব ধরনের উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত। অতীতেও জড়িত ছিল, এখনও আছে, আশা করি ভবিষ্যতেও থাকবে।’
এরপরই এই কর্মকর্তা যোগ করেন, ‘১০ বছরের আমরা চেষ্টা করবো প্রতি বছরের একটা বর্ষপঞ্জি করতে। আমাদের কার্যক্রমগুলো কী হবে, সেগুলো ফুটবলে ও আমাদের সমাজে কী প্রভাব ফেলবে—সে অনুযায়ী আমরা একসঙ্গে কাজ করবো। আপনারা জানেন, আমাদের কিছু চলমান কার্যক্রম আছে, চাইল্ড সেইফটি, উইমেন ইম্পাওয়ারমেন্ট, ফিজিক্যাল-মেন্টাল স্ট্রেন্থিং এডুকেশন, সেগুলো সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছি। ফুটবলের পাইপলাইন ছড়িয়ে দিতে, ট্যালেন্ট হান্টিং এই কাজগুলো আমরা সম্মিলিতভাবে করতে চাই।’
বিএসআরএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমের আলী হুসেইন ফুটবলের বিকেন্দ্রীকরণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। বিএসআরএম নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ড, ফুটবল বিশ্বের নাম্বার ওয়ান খেলা। বাংলাদেশের মেয়েরা ভালো করছে, সম্প্রতি ছেলেরাও উন্নতি করছে। আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখতে চাই। আমাদের খেলাগুলো ঢাকাকেন্দ্রীক। আমরা চাই সারা দেশে ফুটবল আরও গোছালোভাবে হোক, বিকেন্দ্রীকরণ হোক, সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক। তাহলে সারা দেশ থেকে অনেক ফুটবলার উঠে আসবে।’
রিপোর্টারের নাম 














