মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৯:০৯ অপরাহ্ন | ৪ঠা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১৯শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পরীক্ষার আগে কেন্দ্র বদল, ৪০ কিলোমিটার যাতায়াতের শঙ্কায় সুন্দরগঞ্জের শিক্ষার্থীরা

  • হালনাগাদ সময় : ০৮:০২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স পরীক্ষার আগে হঠাৎ কেন্দ্র পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ডিড রাইটার (ডিডব্লিউ) সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা। আগের কেন্দ্র বহালের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তারা।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ইউএনও’র কার্যালয়ে ইউএনও ঈফফাত জাহান তুলির হাতে এ আবেদন জমা দেন শিক্ষার্থীরা।

আবেদন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কলেজটির পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে সুন্দরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে গত ৩ নভেম্বর শিক্ষার্থীরা জানতে পারেন, এবারের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তন করে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে ধর্মপুর আব্দুল জব্বার ডিগ্রি কলেজে নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, নতুন কেন্দ্রে প্রতিদিন যাওয়া-আসায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে। এতে বাড়তি যাতায়াত খরচের পাশাপাশি যানবাহন সংকটে সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছানো নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য এ সিদ্ধান্ত বাড়তি ভোগান্তির কারণ হবে। যাতায়াতের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বিগ্ন তারা।

তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার্থী সেলিম মিয়া বলেন, হঠাৎ কেন্দ্র পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে আমরা চরম বিপাকে পড়েছি। নতুন কেন্দ্রে যাতায়াতে প্রতিদিন অতিরিক্ত সময় ও টাকা খরচ হবে। অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে এই ব্যয় বহন করা কঠিন। শুধু উপজেলা শহরের শিক্ষার্থীরাই নন, শহরের বাইরে যেসব শিক্ষার্থীর বাড়ি, তাদের যাতায়াতের দূরত্ব ও ভোগান্তি আরও বাড়বে। তাই পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে আগের কেন্দ্র বহালের দাবি জানাচ্ছি।

শিক্ষার্থীরা জানান, তিন দিনের মধ্যে কেন্দ্র পরিবর্তনের বিষয়ে সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন তারা। তাদের দাবি, ভোগান্তি বিবেচনায় আগের মতো সুন্দরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজেই পরীক্ষাকেন্দ্র বহাল রাখা হোক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, বিষয়টি আগে জানা ছিল না। শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা জেলায় প্রতিবেদন পাঠাব। আশা করছি, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিকদের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসে সরকারের গড়িমসি নিয়ে জামায়াত আমিরের উদ্বেগ

04 November 2026

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদারে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

পরীক্ষার আগে কেন্দ্র বদল, ৪০ কিলোমিটার যাতায়াতের শঙ্কায় সুন্দরগঞ্জের শিক্ষার্থীরা

হালনাগাদ সময় : ০৮:০২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স পরীক্ষার আগে হঠাৎ কেন্দ্র পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ডিড রাইটার (ডিডব্লিউ) সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা। আগের কেন্দ্র বহালের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তারা।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ইউএনও’র কার্যালয়ে ইউএনও ঈফফাত জাহান তুলির হাতে এ আবেদন জমা দেন শিক্ষার্থীরা।

আবেদন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কলেজটির পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে সুন্দরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে গত ৩ নভেম্বর শিক্ষার্থীরা জানতে পারেন, এবারের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তন করে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে ধর্মপুর আব্দুল জব্বার ডিগ্রি কলেজে নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, নতুন কেন্দ্রে প্রতিদিন যাওয়া-আসায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে। এতে বাড়তি যাতায়াত খরচের পাশাপাশি যানবাহন সংকটে সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছানো নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য এ সিদ্ধান্ত বাড়তি ভোগান্তির কারণ হবে। যাতায়াতের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বিগ্ন তারা।

তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার্থী সেলিম মিয়া বলেন, হঠাৎ কেন্দ্র পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে আমরা চরম বিপাকে পড়েছি। নতুন কেন্দ্রে যাতায়াতে প্রতিদিন অতিরিক্ত সময় ও টাকা খরচ হবে। অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে এই ব্যয় বহন করা কঠিন। শুধু উপজেলা শহরের শিক্ষার্থীরাই নন, শহরের বাইরে যেসব শিক্ষার্থীর বাড়ি, তাদের যাতায়াতের দূরত্ব ও ভোগান্তি আরও বাড়বে। তাই পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে আগের কেন্দ্র বহালের দাবি জানাচ্ছি।

শিক্ষার্থীরা জানান, তিন দিনের মধ্যে কেন্দ্র পরিবর্তনের বিষয়ে সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন তারা। তাদের দাবি, ভোগান্তি বিবেচনায় আগের মতো সুন্দরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজেই পরীক্ষাকেন্দ্র বহাল রাখা হোক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, বিষয়টি আগে জানা ছিল না। শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা জেলায় প্রতিবেদন পাঠাব। আশা করছি, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে।

Share this news as a Photo Card