মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন | ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৯৪ কোটি টাকা বাজারমূল্যের তামাক আটক

  • হালনাগাদ সময় : ০৩:২০:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ১৫০ মেট্রিক টন কাঁচা তামাকের চালান আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ১০ কনটেইনার তামাকের চালানটি আটক করা হয়।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, আটক করা তামাক দিয়ে আনুমানিক ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট উৎপাদন করা সম্ভব। এসব সিগারেটের সম্ভাব্য খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

প্রাথমিক পর্যালোচনায় চালানটির আমদানি মূল্যে উল্লেখযোগ্য অসংগতি পাওয়া গেছে। একই এইচএস কোডের পণ্য প্রতি কেজি ৫ দশমিক ১০ মার্কিন ডলারে অ্যাসেসমেন্ট করা হলেও এ চালানে প্রতি কেজির ঘোষিত মূল্য দেখানো হয়েছে ১ দশমিক ৪৫ মার্কিন ডলার।

পূর্ববর্তী আমদানি মূল্য বিবেচনায় এ চালান থেকে সম্ভাব্য আমদানি পর্যায়ের রাজস্ব প্রায় ২১ কোটি ১২ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল চারটায় আগ্রাবাদে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাকিব রায়হান।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৯৪ কোটি টাকা বাজারমূল্যের তামাক আটক

29 October 2026

বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত: জামিন পেল কিশোর চালক

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৯৪ কোটি টাকা বাজারমূল্যের তামাক আটক

হালনাগাদ সময় : ০৩:২০:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ১৫০ মেট্রিক টন কাঁচা তামাকের চালান আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ১০ কনটেইনার তামাকের চালানটি আটক করা হয়।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, আটক করা তামাক দিয়ে আনুমানিক ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট উৎপাদন করা সম্ভব। এসব সিগারেটের সম্ভাব্য খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

প্রাথমিক পর্যালোচনায় চালানটির আমদানি মূল্যে উল্লেখযোগ্য অসংগতি পাওয়া গেছে। একই এইচএস কোডের পণ্য প্রতি কেজি ৫ দশমিক ১০ মার্কিন ডলারে অ্যাসেসমেন্ট করা হলেও এ চালানে প্রতি কেজির ঘোষিত মূল্য দেখানো হয়েছে ১ দশমিক ৪৫ মার্কিন ডলার।

পূর্ববর্তী আমদানি মূল্য বিবেচনায় এ চালান থেকে সম্ভাব্য আমদানি পর্যায়ের রাজস্ব প্রায় ২১ কোটি ১২ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল চারটায় আগ্রাবাদে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাকিব রায়হান।

Share this news as a Photo Card