ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের পরিচয়পত্রে ছবি না থাকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও অভিযোগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. দেলাওয়ার হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ স্কুল কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই অভিযোগ করেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “এখানে যিনি প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁর গলার পরিচয়পত্রটিতে কোনো ছবি নেই। এমনকি সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পরিচয়পত্রে ছবি না থাকলে তিনি প্রকৃত কর্মকর্তা কি না তা বোঝার উপায় থাকে না। এতে প্রক্সি দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”
নির্বাচনের সামগ্রিক পরিবেশ নিয়ে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, কেবল ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, তাই এখনই চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তবে কিছু কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আট মাসের ব্যবধানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো প্রার্থী হওয়া এই নেতা জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফলের বিষয়ে তিনি শতভাগ আশাবাদী। জনগণ যদি স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের সুযোগ পায়, তবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যেকোনো ফলাফল মেনে নেবেন তিনি।
এর আগে নির্ধারিত সময় সকাল ৮টায় আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম সকালে জানান, কেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট চলছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। এ নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্য প্রার্থীরা হলেন— রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।

























