বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের শেষদিকে ক্রিজে ছিলেন একমাত্র স্বীকৃত ব্যাটার লিটন দাস। দলের চরম বিপর্যয়ের মুহূর্তে তাঁর কাছ থেকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং প্রত্যাশা করেছিল সবাই। তবে ওভারের শুরুতে সিঙ্গেল নিয়ে অ-স্বীকৃত ব্যাটারদের স্ট্রাইকে পাঠানোর কৌশল শেষ পর্যন্ত দলগত ধ্বস ঠেকাইতে পারেনি। একের পর এক উইকেটের পতনে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস ২৭২ রানেই থেমে গেছে।
দ্বিতীয় দিনে ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে স্কোরবোর্ডে মাত্র ৮ রান যোগ হতেই চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটে। এরপর থেকেই শুরু হয় বিস্ময়কর ব্যাটিং ধস। আজ সকালে মাত্র ৫৯ রান তুলতেই শেষ ৭টি উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। শেষ ব্যাটার হিসেবে সাজঘরে ফেরেন শরীফুল ইসলাম।
ইনিংসের শেষভাগে লিটনের সামনে সুযোগ ছিল স্ট্রাইক নিজের কাছে রেখে রান সংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়ার। কিন্তু তিনি বারবার ওভারের প্রথম বলেই প্রান্ত বদল করায় টেলএন্ডারদের ওপর চাপ তৈরি হয়। সেই চাপ সামলাতে না পেরে একের পর এক ব্যাটার দ্রুত আউট হয়ে যান।
বাংলাদেশের শেষ চার ব্যাটারের বিদায় লিটন ক্রিজে থেকে প্রত্যক্ষ করলেও দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৩৪ রানে অপরাজেয় থাকেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
টেস্ট ক্রিকেটে শেষদিকে দায়িত্বশীল ব্যাটারের ভূমিকা কেবল উইকেটে টিকে থাকা নয়, সঙ্গীদের সামলে রেখে রান বাড়ানোটাই মূল লক্ষ্য থাকে। লিটনের এমন ব্যাটিং কৌশল তাই নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ৯৭.৪ ওভারে ২৭২ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০৫ রান করেন সাদমান ইসলাম। এছাড়া তাওহীদ হৃদয় ৪২, লিটন দাস ৩৪* এবং মুমিনুল হক ২৮ রান করেন। প্রতিপক্ষ বোলারদের মধ্যে জোমেল ওয়ারিক্যান ৫৩ রানে ৫টি এবং জোমেল বিশপ ও আলজারি জোসেফ ২টি করে উইকেট নেন।

























