ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

রোকেয়া পদক পেয়ে উচ্ছ্বসিত ঋতুপর্ণা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

নারী ফুটবলে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। টানা দু’বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এছাড়া প্রথমবার এশিয়ান কাপে মূল পর্বেও জায়গা করে নিয়েছে। নারী ফুটবলে সাফল্যের কারণে প্রথমবারের মতো একুশে পদক পেয়েছে পুরো দল। এবার এই বছরের মর্যাদাপূর্ণ রোকেয়া পদক পেয়েছেন পোস্টার গার্ল ঋতুপর্ণা চাকমা। এমন স্বীকৃতি পেয়ে রীতিমত উচ্ছ্বসিত রাঙামাটি থেকে উঠে আসা ফরোয়ার্ড।

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে পুরস্কারটি দেওয়া হয়। তিনি ছিলেন বাংলাদেশে নারী জাগরণের অগ্রদূত। প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর সরকারিভাবে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত হয় এবং এই দিনে পদক প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ দলের সাফল্যে ঋতুপর্ণা দারুণ পারফর্ম করেছেন। তাকে ‘নারী জাগরণ (ক্রীড়া)’ বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। স্ব স্ব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঋতুপর্ণা সহ চারজনকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

পদক পাওয়ার অনুভূতি নিয়ে ঋতুপর্ণা সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘যে কোনও পুরস্কার বা সম্মাননা আমার জন্য অনেক বড় বিষয়। এটি আমাকে অনেক উৎসাহ দেয়। এই প্রথম কোনও ফুটবলার রোকেয়া পদক পেলো, তাই এটা আমার কাছে বিরাট সাফল্য মনে হচ্ছে। আমি খুব, খুব খুশি।’

মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে পদক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। 

ঋতুপর্ণা আরও বলেছেন, ‘আমি খুবই রোমাঞ্চিত। এটি একটি রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। তাই এটি আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

এমন পুরস্কার সব নারীর জন্য বড় অনুপ্রেরণা বলে জানালেন ঋতুপর্ণা, ‘এই পুরস্কার শুধু আমার একার নয়—এটি বাংলাদেশের সব নারীর জন্য অনুপ্রেরণা। এটি আগামী প্রজন্মের ওপর ভালো প্রভাব ফেলবে।’

সব বাধা পেরিয়ে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চান ঋতুপর্ণা। তার ভাষায়, ‘জীবনে সবাই বাধার মুখে পড়ে, ছেলে-মেয়ে উভয়েই। আমাদের সবার সেই বাধাগুলো পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমি ইউনিসেফের হয়ে কাজ করছি। ভবিষ্যতে আরও সুযোগ পেলে আমি তা গ্রহণ করবো।’

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানজুড়ে ব্যাপক হামলা: ২০ প্রদেশ লক্ষ্যবস্তু, রেড ক্রিসেন্টের সতর্কবার্তা

রোকেয়া পদক পেয়ে উচ্ছ্বসিত ঋতুপর্ণা

আপডেট সময় : ০২:১৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

নারী ফুটবলে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। টানা দু’বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এছাড়া প্রথমবার এশিয়ান কাপে মূল পর্বেও জায়গা করে নিয়েছে। নারী ফুটবলে সাফল্যের কারণে প্রথমবারের মতো একুশে পদক পেয়েছে পুরো দল। এবার এই বছরের মর্যাদাপূর্ণ রোকেয়া পদক পেয়েছেন পোস্টার গার্ল ঋতুপর্ণা চাকমা। এমন স্বীকৃতি পেয়ে রীতিমত উচ্ছ্বসিত রাঙামাটি থেকে উঠে আসা ফরোয়ার্ড।

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে পুরস্কারটি দেওয়া হয়। তিনি ছিলেন বাংলাদেশে নারী জাগরণের অগ্রদূত। প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর সরকারিভাবে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত হয় এবং এই দিনে পদক প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ দলের সাফল্যে ঋতুপর্ণা দারুণ পারফর্ম করেছেন। তাকে ‘নারী জাগরণ (ক্রীড়া)’ বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। স্ব স্ব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঋতুপর্ণা সহ চারজনকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

পদক পাওয়ার অনুভূতি নিয়ে ঋতুপর্ণা সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘যে কোনও পুরস্কার বা সম্মাননা আমার জন্য অনেক বড় বিষয়। এটি আমাকে অনেক উৎসাহ দেয়। এই প্রথম কোনও ফুটবলার রোকেয়া পদক পেলো, তাই এটা আমার কাছে বিরাট সাফল্য মনে হচ্ছে। আমি খুব, খুব খুশি।’

মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে পদক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। 

ঋতুপর্ণা আরও বলেছেন, ‘আমি খুবই রোমাঞ্চিত। এটি একটি রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। তাই এটি আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

এমন পুরস্কার সব নারীর জন্য বড় অনুপ্রেরণা বলে জানালেন ঋতুপর্ণা, ‘এই পুরস্কার শুধু আমার একার নয়—এটি বাংলাদেশের সব নারীর জন্য অনুপ্রেরণা। এটি আগামী প্রজন্মের ওপর ভালো প্রভাব ফেলবে।’

সব বাধা পেরিয়ে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চান ঋতুপর্ণা। তার ভাষায়, ‘জীবনে সবাই বাধার মুখে পড়ে, ছেলে-মেয়ে উভয়েই। আমাদের সবার সেই বাধাগুলো পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমি ইউনিসেফের হয়ে কাজ করছি। ভবিষ্যতে আরও সুযোগ পেলে আমি তা গ্রহণ করবো।’