মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারের আওকাফ ও ইসলামবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মর্যাদাপূর্ণ শায়খ জসিম বিন মুহাম্মদ বিন সানি পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
নির্ধারিত বিভাগে মোট এক হাজার ৭৩ জন কাতারি নাগরিক এই প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে ৪৫৪ জন পুরুষ এবং ৬১৯ জন নারী অংশ নিচ্ছেন। এই বিভাগে পবিত্র কোরআনের পাঁচটি স্তরে হেফজের ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলো হলো— পাঁচ পারা, ১০ পারা, ১৫ পারা, ২০ পারা ও ২৫ পারা।
আওকাফ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারীরা ধাপে ধাপে পরবর্তী স্তরে উন্নীত হওয়ার সুযোগ পাবেন। এভাবে পুরো কোরআন হেফজ সম্পন্ন করে পূর্ণ হেফজ বিভাগেও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এই বিভাগের মাধ্যমে এরই মধ্যে বহু মেধাবী হাফেজ তৈরি হয়েছেন, যারা পুরো কোরআন হেফজ সম্পন্ন করে পূর্ণ হেফজ বিভাগে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছেন। এ ছাড়া কয়েকজন প্রতিযোগী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় কাতার রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আয়োজক কমিটি এই বিভাগটিকে একটি অন্যতম শিক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
এর মূল লক্ষ্য হলো দেশের কোরআনভিত্তিক প্রতিভার বিকাশ ঘটানো, অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ ও জাতীয় পরিচয়কে শক্তিশালী করা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ২০২৫-২০৩০ মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা এবং কাতারের জাতীয় রূপকল্প ২০৩০-এর আওতায় কোরআনভিত্তিক সংস্কৃতি প্রসারে আওকাফ মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টাও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হবে। পুরুষ প্রতিযোগীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে মর্যাদাপূর্ণ ইমাম মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব মসজিদে। অন্যদিকে নারী প্রতিযোগীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আল-ওয়াব এলাকায় অবস্থিত দাওয়াহ ও ধর্মীয় নির্দেশনা বিভাগের নারী কার্যক্রম কেন্দ্রে।
চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।


























