মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১০:৩৩ অপরাহ্ন | ২৭শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১১ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

শিল্পকলায় স্বীকৃতি পেল শিশুশিল্পী রাফিয়া ইসলাম দিয়ান

  • হালনাগাদ সময় : ০৯:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

রঙের ছোঁয়ায় কল্পনার প্রকাশ আর রেখার বুননে স্বপ্নের অবয়ব ফুটিয়ে তোলার মায়াবী জগতে নিজের সম্ভাবনার পথ তৈরি করছে শিশুশিল্পী রাফিয়া ইসলাম দিয়ান। শৈশবের দুরন্ত কল্পনাকে সৃজনশীলতার রঙে ফুটিয়ে তোলার এই যাত্রায় এসেছে বড় স্বীকৃতি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ‘মেগা শিল্পকলা প্রদর্শনী ২০২৬’-এ শিল্পকলায় উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ সে পেয়েছে ‘উৎকর্ষের সনদপত্র।’ ছোট্ট দিয়ানের এই অর্জন তার পরিবারে আনন্দের মুহূর্ত বয়ে আনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ শিল্পচর্চার পথেও যোগ করেছে নতুন অনুপ্রেরণা।

আর্ট বাংলাদেশ আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে সহযোগিতা করেছে ট্যালেন্ট স্পোর্টস লিমিটেড। সনদপত্রে দিয়ানের শৈল্পিক প্রতিভা, মৌলিকত্ব, সৃজনশীলতা এবংদৃশ্যশিল্পের প্রতি নিষ্ঠার বিশেষ স্বীকৃতি উল্লেখ করা হয়েছে।

শিশুর কল্পনার জগত অত্যন্ত বিচিত্র। কখনো কয়েকটি রঙের মিশেলে, আবার কখনো রেখার অনন্য বিন্যাসে ফুটে ওঠে তার ভাবনা, অনুভূতি ও চারপাশের পৃথিবীকে দেখার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি। শিল্পচর্চা শিশুদের শুধু ছবি আঁকতেই শেখায় না, বরং তাদের কল্পনাশক্তি, পর্যবেক্ষণক্ষমতা ও নান্দনিক বোধ বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া রাফিয়া ইসলাম দিয়ানের এই অর্জন তার সৃজনশীল পথচলায় একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। অল্প বয়সে অর্জিত এমন সম্মাননা নতুন কিছু শেখা, নিজের দক্ষতা বাড়ানো এবং শিল্পের প্রতি আগ্রহ ধরে রাখার বড় প্রেরণা জোগাতে পারে।

দিয়ানের মা মার্জিয়া খানম বলেন, সন্তানের এমন স্বীকৃতি একজন মা হিসেবে আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। আমি চাই, দিয়ান পড়াশोनার পাশাপাশি নিজের পছন্দের কাজগুলো আনন্দের সঙ্গে শিখুক এবং সৃজনশীলতার চর্চা চালিয়ে যাক। আমাদের প্রত্যাশা, সে যেন একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে এবং নিজের প্রতিভা দিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করতে পারে। তার স্বপ্নপূরণে আমরা সব সময় পাশে থাকতে চাই।

দিয়ানের বড় বোন আফিয়া তাসনিম সানজা বলেন, এই অর্জনে আমি ভীষণ খুশি। ওর স্বপ্নগুলো পূরণ হোক, ও নিজের পছন্দের কাজগুলো মন দিয়ে শিখুক এটাই আমার চাওয়া। আমি চাই, ও কখনো নতুন কিছু শেখার আগ্রহ হারিয়ে না ফেলুক। সামনে আরও ভালো করুক, নিজের প্রতিভা বিকশিত করুক এবং জীবনের প্রতিটি ধাপে আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাক। বড় বোন হিসেবে ওর আনন্দের মুহূর্তগুলোতে পাশে থাকতে চাই।

এ ব্যাপারে ট্যালেন্ট স্পোর্টস লিমিটেডের পরিচালক ফাহিম মুন্তাসির রহমান ইতিবাচক মতামত ব্যক্ত করেছেন।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজবাড়ী শহরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী নেতাকে গুলি

27 October 2026

জামালপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রী হত্যা: ১১ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

শিল্পকলায় স্বীকৃতি পেল শিশুশিল্পী রাফিয়া ইসলাম দিয়ান

হালনাগাদ সময় : ০৯:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

রঙের ছোঁয়ায় কল্পনার প্রকাশ আর রেখার বুননে স্বপ্নের অবয়ব ফুটিয়ে তোলার মায়াবী জগতে নিজের সম্ভাবনার পথ তৈরি করছে শিশুশিল্পী রাফিয়া ইসলাম দিয়ান। শৈশবের দুরন্ত কল্পনাকে সৃজনশীলতার রঙে ফুটিয়ে তোলার এই যাত্রায় এসেছে বড় স্বীকৃতি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ‘মেগা শিল্পকলা প্রদর্শনী ২০২৬’-এ শিল্পকলায় উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ সে পেয়েছে ‘উৎকর্ষের সনদপত্র।’ ছোট্ট দিয়ানের এই অর্জন তার পরিবারে আনন্দের মুহূর্ত বয়ে আনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ শিল্পচর্চার পথেও যোগ করেছে নতুন অনুপ্রেরণা।

আর্ট বাংলাদেশ আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে সহযোগিতা করেছে ট্যালেন্ট স্পোর্টস লিমিটেড। সনদপত্রে দিয়ানের শৈল্পিক প্রতিভা, মৌলিকত্ব, সৃজনশীলতা এবংদৃশ্যশিল্পের প্রতি নিষ্ঠার বিশেষ স্বীকৃতি উল্লেখ করা হয়েছে।

শিশুর কল্পনার জগত অত্যন্ত বিচিত্র। কখনো কয়েকটি রঙের মিশেলে, আবার কখনো রেখার অনন্য বিন্যাসে ফুটে ওঠে তার ভাবনা, অনুভূতি ও চারপাশের পৃথিবীকে দেখার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি। শিল্পচর্চা শিশুদের শুধু ছবি আঁকতেই শেখায় না, বরং তাদের কল্পনাশক্তি, পর্যবেক্ষণক্ষমতা ও নান্দনিক বোধ বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া রাফিয়া ইসলাম দিয়ানের এই অর্জন তার সৃজনশীল পথচলায় একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। অল্প বয়সে অর্জিত এমন সম্মাননা নতুন কিছু শেখা, নিজের দক্ষতা বাড়ানো এবং শিল্পের প্রতি আগ্রহ ধরে রাখার বড় প্রেরণা জোগাতে পারে।

দিয়ানের মা মার্জিয়া খানম বলেন, সন্তানের এমন স্বীকৃতি একজন মা হিসেবে আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। আমি চাই, দিয়ান পড়াশोनার পাশাপাশি নিজের পছন্দের কাজগুলো আনন্দের সঙ্গে শিখুক এবং সৃজনশীলতার চর্চা চালিয়ে যাক। আমাদের প্রত্যাশা, সে যেন একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে এবং নিজের প্রতিভা দিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করতে পারে। তার স্বপ্নপূরণে আমরা সব সময় পাশে থাকতে চাই।

দিয়ানের বড় বোন আফিয়া তাসনিম সানজা বলেন, এই অর্জনে আমি ভীষণ খুশি। ওর স্বপ্নগুলো পূরণ হোক, ও নিজের পছন্দের কাজগুলো মন দিয়ে শিখুক এটাই আমার চাওয়া। আমি চাই, ও কখনো নতুন কিছু শেখার আগ্রহ হারিয়ে না ফেলুক। সামনে আরও ভালো করুক, নিজের প্রতিভা বিকশিত করুক এবং জীবনের প্রতিটি ধাপে আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাক। বড় বোন হিসেবে ওর আনন্দের মুহূর্তগুলোতে পাশে থাকতে চাই।

এ ব্যাপারে ট্যালেন্ট স্পোর্টস লিমিটেডের পরিচালক ফাহিম মুন্তাসির রহমান ইতিবাচক মতামত ব্যক্ত করেছেন।

Share this news as a Photo Card