ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

মেসির হাত ধরে মায়ামির প্রথম এমএলএস কাপ জয়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

লিওনেল মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জিতেছে ইন্টার মায়ামি। চেজ স্টেডিয়ামে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে মায়ামি।

এমএলএস কাপ যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ফুটবল লিগ মেজর লিগ সকারের চ্যাম্পিয়ন বেছে নেওয়ার ম্যাচ। লিগ পর্ব শেষে ইস্টার্ন ও ওয়েস্টার্ন কনফারেন্স থেকে দলগুলো নকআউট পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ঠিক হয় আসরের সেরা দল।

ফাইনালে মায়ামির শুরুটা ছিল একেবারে নিখুঁত। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যায় মায়ামি। তাদেও অ্যালেন্দেকে আটকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন এডিয়ার ওকাম্পো।

প্রথমার্ধের শেষদিকে ম্যাচে ফিরে আসে ভ্যাঙ্কুভার। সমতায় ফেরার দুইটি বড় সুযোগও পায় দলটি। ৩৮তম মিনিটে এমানুয়েল সাবির শট কাছ থেকে ঠেকিয়ে দেন মায়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস। এরপর সমতার সুযোগ খুঁজতে থাকেন থমাস মুলার। 

দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে হোয়াইটক্যাপস। ঘণ্টা খানেকের মাথায় আলি আহমেদের দুর্বল শট রিওসের হাত ফসকে জালে জড়ায়।

কিছুক্ষণ পরই গোলবঞ্চিত হন সাবি। তার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসার পর রিবাউন্ডেও বল লাগে ক্রসবারে। যদিও আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি ভ্যাঙ্কুভারের। মাত্র ১১ মিনিট পর ফের দাপট দেখায় মায়ামি। লিওনেল মেসির মাপা পাস ধরে চমৎকার ফিনিশিংয়ে দলকে আবারও এগিয়ে নেন রদ্রিগো দে পল।

শেষদিকে সমতার খোঁজে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভ্যাঙ্কুভার। কিন্তু সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে ভর করে কাউন্টার অ্যাটাকে আরও একবার আঘাত হানে মায়ামি। এবারও ছিল মেসির ভূমিকা। বুকে বল থামিয়ে নিখুঁত এক ফ্লিকে সুযোগ করে দেন অ্যালেন্দেকে। তিনি ঠাণ্ডা মাথায় তাকাওকার পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠান।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানজুড়ে ব্যাপক হামলা: ২০ প্রদেশ লক্ষ্যবস্তু, রেড ক্রিসেন্টের সতর্কবার্তা

মেসির হাত ধরে মায়ামির প্রথম এমএলএস কাপ জয়

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

লিওনেল মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জিতেছে ইন্টার মায়ামি। চেজ স্টেডিয়ামে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে মায়ামি।

এমএলএস কাপ যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ফুটবল লিগ মেজর লিগ সকারের চ্যাম্পিয়ন বেছে নেওয়ার ম্যাচ। লিগ পর্ব শেষে ইস্টার্ন ও ওয়েস্টার্ন কনফারেন্স থেকে দলগুলো নকআউট পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ঠিক হয় আসরের সেরা দল।

ফাইনালে মায়ামির শুরুটা ছিল একেবারে নিখুঁত। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যায় মায়ামি। তাদেও অ্যালেন্দেকে আটকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন এডিয়ার ওকাম্পো।

প্রথমার্ধের শেষদিকে ম্যাচে ফিরে আসে ভ্যাঙ্কুভার। সমতায় ফেরার দুইটি বড় সুযোগও পায় দলটি। ৩৮তম মিনিটে এমানুয়েল সাবির শট কাছ থেকে ঠেকিয়ে দেন মায়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস। এরপর সমতার সুযোগ খুঁজতে থাকেন থমাস মুলার। 

দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে হোয়াইটক্যাপস। ঘণ্টা খানেকের মাথায় আলি আহমেদের দুর্বল শট রিওসের হাত ফসকে জালে জড়ায়।

কিছুক্ষণ পরই গোলবঞ্চিত হন সাবি। তার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসার পর রিবাউন্ডেও বল লাগে ক্রসবারে। যদিও আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি ভ্যাঙ্কুভারের। মাত্র ১১ মিনিট পর ফের দাপট দেখায় মায়ামি। লিওনেল মেসির মাপা পাস ধরে চমৎকার ফিনিশিংয়ে দলকে আবারও এগিয়ে নেন রদ্রিগো দে পল।

শেষদিকে সমতার খোঁজে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভ্যাঙ্কুভার। কিন্তু সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে ভর করে কাউন্টার অ্যাটাকে আরও একবার আঘাত হানে মায়ামি। এবারও ছিল মেসির ভূমিকা। বুকে বল থামিয়ে নিখুঁত এক ফ্লিকে সুযোগ করে দেন অ্যালেন্দেকে। তিনি ঠাণ্ডা মাথায় তাকাওকার পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠান।