ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

খেলাতে চড়াই–উতরাই থাকবেই:ঋতুপর্ণা চাকমা

ঋতুপর্ণা চাকমা মানে উইং থেকে ঝড় তোলা একজন ফুটবলার। কোনও সময় মাপা ক্রসে সতীর্থের গোলে এসিস্ট করেন, আবার ড্রিবলিং করে ডি-বক্সে ঢুকে দারুণ পাস বাড়িয়ে দেন। কোনও সময় নিজেই জড়িয়ে দিচ্ছেন বল। এবার অনেক দিন পর ঘরের মাঠে তথা জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের হয়ে সেই ঋতুপর্ণার ঝলক কমই দেখা গেছে। ফিফা প্রীতি ম্যাচের দুটিতেই কিছুটা নিষ্প্রভ ছিলেন রাঙামাটি থেকে উঠে আসা ফরোয়ার্ড। অবশ্য কাঙিক্ষত পারফরম্যান্স না আসার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন।

মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানের কাছে দুটি ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে খেলার ধারার বিপরীতে গোল হজম করেছে। অন্যটিতে আজারবাইজানের বিপক্ষে চোখে চোখ রেখে খেলেও হারতে হয়েছে। দুই ম্যাচে তিন গোল হজম করেছে বাংলাদেশ। দিয়েছে মাত্র একটি। স্বাগতিকদের ফরোয়ার্ডদের কেউই গোলমুখ উন্মুক্ত করেননি। ঋতুপর্ণা চাকমার দিকে আলাদা দৃষ্টি থাকলেও তিনি পারেননি কিছু করতে। নারী দল আবার আজ থেকে ছুটিতে গেছে। ঋতুপর্ণা রাঙামাটি যাওয়ার আগে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বলেছেন,‘দেখুন, সবসময় তো একইধরণের পারফরম্যান্স থাকবে না। খেলাতে চড়াই–উতরাই থাকবেই। আমি আমার মতো চেষ্টা করেছি। হয়তো কাঙ্ক্ষিত সেরা পারফরম্যান্সটি দেখা যায়নি। বিশ্বের সেরা ফুটবলাররা তো সবসময় একই পারফরম্যান্স দেখাতে পারে না। ধরে নিন আমার বেলাতে তাই হয়েছে।’

দুটি ম্যাচ নিয়ে এরপরই ঋতুপর্ণার মূল্যায়ন,‘মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমরা আধিপত্য রেখে ম্যাচ হেরেছি। আজারবাইজান আমাদের চেয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে। তারপরও ওদের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে খেলেছি, আক্রমণও হয়েছে। এখন গোল মাত্র একটি হয়েছে। এই ম্যাচে সবাই নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলেছে। আমিও চেষ্টা করেছি। কিন্তু হয়তো সেরাটা আসেনি। সামনের দিকে নিশ্চয়ই আরও ভালো হবে।’

২০২৬ মার্চে অস্ট্রেলিয়াতে নারীদের এশিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ। আজারবাইজানের কোচ তো বলেই দিয়েছেন- এমন পারফরম্যান্স থাকলে উজবেকিস্তানের (এশিয়ান কাপে গ্রুপে আছে) বিপক্ষে জিততে পারে বাংলাদেশ। ঋতুপর্ণাও বলেছেন,‘মার্চের টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আস্তে আস্তে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলে নিজেদের আরও ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ আছে। আমার মনে হয় সামনের দিকে সবার পারফরম্যান্স আরও ভালো হবে। আমার নিজেরও।’

ছুটি কাটিয়ে বাংলাদেশ দলের আবার চট্টগ্রামে নিবিড় অনুশীলন হওয়ার কথা রয়েছে।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানজুড়ে ব্যাপক হামলা: ২০ প্রদেশ লক্ষ্যবস্তু, রেড ক্রিসেন্টের সতর্কবার্তা

খেলাতে চড়াই–উতরাই থাকবেই:ঋতুপর্ণা চাকমা

আপডেট সময় : ০৬:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ঋতুপর্ণা চাকমা মানে উইং থেকে ঝড় তোলা একজন ফুটবলার। কোনও সময় মাপা ক্রসে সতীর্থের গোলে এসিস্ট করেন, আবার ড্রিবলিং করে ডি-বক্সে ঢুকে দারুণ পাস বাড়িয়ে দেন। কোনও সময় নিজেই জড়িয়ে দিচ্ছেন বল। এবার অনেক দিন পর ঘরের মাঠে তথা জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের হয়ে সেই ঋতুপর্ণার ঝলক কমই দেখা গেছে। ফিফা প্রীতি ম্যাচের দুটিতেই কিছুটা নিষ্প্রভ ছিলেন রাঙামাটি থেকে উঠে আসা ফরোয়ার্ড। অবশ্য কাঙিক্ষত পারফরম্যান্স না আসার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন।

মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানের কাছে দুটি ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে খেলার ধারার বিপরীতে গোল হজম করেছে। অন্যটিতে আজারবাইজানের বিপক্ষে চোখে চোখ রেখে খেলেও হারতে হয়েছে। দুই ম্যাচে তিন গোল হজম করেছে বাংলাদেশ। দিয়েছে মাত্র একটি। স্বাগতিকদের ফরোয়ার্ডদের কেউই গোলমুখ উন্মুক্ত করেননি। ঋতুপর্ণা চাকমার দিকে আলাদা দৃষ্টি থাকলেও তিনি পারেননি কিছু করতে। নারী দল আবার আজ থেকে ছুটিতে গেছে। ঋতুপর্ণা রাঙামাটি যাওয়ার আগে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বলেছেন,‘দেখুন, সবসময় তো একইধরণের পারফরম্যান্স থাকবে না। খেলাতে চড়াই–উতরাই থাকবেই। আমি আমার মতো চেষ্টা করেছি। হয়তো কাঙ্ক্ষিত সেরা পারফরম্যান্সটি দেখা যায়নি। বিশ্বের সেরা ফুটবলাররা তো সবসময় একই পারফরম্যান্স দেখাতে পারে না। ধরে নিন আমার বেলাতে তাই হয়েছে।’

দুটি ম্যাচ নিয়ে এরপরই ঋতুপর্ণার মূল্যায়ন,‘মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমরা আধিপত্য রেখে ম্যাচ হেরেছি। আজারবাইজান আমাদের চেয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে। তারপরও ওদের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে খেলেছি, আক্রমণও হয়েছে। এখন গোল মাত্র একটি হয়েছে। এই ম্যাচে সবাই নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলেছে। আমিও চেষ্টা করেছি। কিন্তু হয়তো সেরাটা আসেনি। সামনের দিকে নিশ্চয়ই আরও ভালো হবে।’

২০২৬ মার্চে অস্ট্রেলিয়াতে নারীদের এশিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ। আজারবাইজানের কোচ তো বলেই দিয়েছেন- এমন পারফরম্যান্স থাকলে উজবেকিস্তানের (এশিয়ান কাপে গ্রুপে আছে) বিপক্ষে জিততে পারে বাংলাদেশ। ঋতুপর্ণাও বলেছেন,‘মার্চের টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আস্তে আস্তে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলে নিজেদের আরও ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ আছে। আমার মনে হয় সামনের দিকে সবার পারফরম্যান্স আরও ভালো হবে। আমার নিজেরও।’

ছুটি কাটিয়ে বাংলাদেশ দলের আবার চট্টগ্রামে নিবিড় অনুশীলন হওয়ার কথা রয়েছে।