ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে গাইবান্ধায় বিশাল মানববন্ধন

গাইবান্ধার বালাসীঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার বিকেলে ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাট এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল মানববন্ধনে এই অঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। উত্তরবঙ্গের অন্তত আটটি জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের এই প্রাণের দাবি পূরণে তারা সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে সেতু নির্মিত হলে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে ঢাকাগামী যাতায়াতের যে পথ রয়েছে, এই সেতুটি নির্মিত হলে তা প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার কমে যাবে। এতে যাতায়াতের সময় ও জ্বালানি খরচ—উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে সাশ্রয় হবে।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, এই সেতু শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং এটি উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির নতুন দ্বার খুলে দেবে। পণ্য পরিবহনের খরচ কমলে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ সহজ হবে এবং এই অঞ্চলে নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ও শিল্পায়নের সুযোগ তৈরি হবে। মানববন্ধনে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, ব্যবসায়ী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপির দায়ে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আদালতের রায়ের পর তৃণমূল নেতাকর্মীদের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে গাইবান্ধায় বিশাল মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১২:৫৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

গাইবান্ধার বালাসীঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার বিকেলে ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাট এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল মানববন্ধনে এই অঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। উত্তরবঙ্গের অন্তত আটটি জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের এই প্রাণের দাবি পূরণে তারা সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে সেতু নির্মিত হলে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে ঢাকাগামী যাতায়াতের যে পথ রয়েছে, এই সেতুটি নির্মিত হলে তা প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার কমে যাবে। এতে যাতায়াতের সময় ও জ্বালানি খরচ—উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে সাশ্রয় হবে।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, এই সেতু শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং এটি উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির নতুন দ্বার খুলে দেবে। পণ্য পরিবহনের খরচ কমলে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ সহজ হবে এবং এই অঞ্চলে নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ও শিল্পায়নের সুযোগ তৈরি হবে। মানববন্ধনে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, ব্যবসায়ী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করেন।